Logo
সংবাদ শিরোনাম :
ভানুগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত রাজকান্দি রিজার্ভ ফরেস্টে কাটা হচ্ছে টিলা ও গাছ সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আব্দুর ববের শুভেচ্ছা বিনিময় কমলগঞ্জে ৭৫০ দৌড়বিদের অংশগ্রহণে আলট্রা ম্যারাথন গোকুলানন্দ গীতিস্বামী‘র ১২৯ তম জন্মবার্ষিকীতে আলোচনা সভা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে টিউবওয়েল বিতরণ কমলগঞ্জে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত নান্না বিআরডিবি’র সভাপতি নির্বাচিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ক্রমশ প্রাণী শুন্য হচ্ছে চা-পাতা ভর্তা আটার রুটি খেয়েই চলে চা শ্রমিকের দিন খাসিয়া জনগোষ্ঠীর বর্ষবিদায় অনুষ্ঠান ‘সেং কুটস্নেম’ উদযাপন মুন্সিবাজার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে ময়লার স্তুপ ! বন্যপ্রাণীর হাত থেকে ফসল রক্ষায় রাত জেগে পাহারা জীবন ও জীবিকাঃ বংশীবাদক কৃষ্ণের সুরের মূর্ছনা সাংবাদিকদের সাথে বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান প্রার্থী ময়নুল ইসলামের মত বিনিময় সাংবাদিকদের সাথে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাজী মুজিবের শুভেচ্ছা বিনিময় সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টার মৃত্যুতে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের শোক প্রকাশ জাতীয় সংহতি দিবসে বিএনপির আলোচনা সভা শেষ হলো ঐতিব্যবাহী মণিপুরি মহারাসলীলা উৎসব কমলগঞ্জে সম্পন্ন হলো চা শ্রমিকদের ২৫ তম কাত্যায়ানী পূজা

সিলেটে হচ্ছে দেশের প্রথম ‘ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর’

রিপোটার : / ৭৮৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফংলংয়ে হচ্ছে দেশের প্রথম ‘ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর’। জাফলংয়ের প্রতিবেশ-সংকটাপন্ন এলাকার (ইসিএ) পাথর উত্তোলন বন্ধ করে ‘ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর’ স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি)। সম্প্রতি উচ্চ আদালতের নির্দেশনাসংবলিত একটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে পাথর তোলার প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে বিএমডি চিঠি দিয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসনকে এ পরিকল্পনার তথ্য জানিয়েছে।

গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন জানায়, ২০১২ সালে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় জাফলংকে ইসিএ ঘোষণার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি জাফলংকে ইসিএ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি হয়। ২০১৬ সালের ১১ জানুয়ারি জাফলংকে ‘ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্য’ ঘোষণা করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এতে জাফলংয়ের ২২ দশমিক ৫৯ একর জায়গাকে সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়।

‘মেসার্স জালালাবাদ লাইম ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ট্রেডিং অ্যাসোসিয়েশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান গত ১৭ আগস্ট একটি চিঠি দিয়ে জাফলংয়ে ইসিএ ও ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্য ঘোষিত সংরক্ষিত এলাকা ১৯৭২ সালে অধিগ্রহণ করা দাবি করে সম্প্রতি উচ্চ আদালতের আদেশে পাথর তোলার প্রস্তুতি শুরু করে।

ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর স্থাপনের বিষয়ে সরকারি চিঠিতে বলা হয়েছে, উন্মুক্ত শিলাস্তর, চুনাপাথর সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য জাতীয় স্বার্থে ২৫ দশমিক ৫৯ একর ভূমিকে ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্য ঘোষণা করা হয়েছে। ওই ভূমিতে আন্তর্জাতিক মানের একটি ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর নির্মাণ করা হবে।

বিএমডির মহাপরিচালক মো. জাফর উল্লাহ সাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জাফলং ইসিএ–ভুক্ত এলাকা ছাড়াও ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্য হিসেবে চিহ্নিত এলাকায় একটি ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর স্থাপন করা হবে। মেসার্স জালালাবাদ লাইম ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ট্রেডিং অ্যাসোসিয়েশনসহ আরও একটি প্রতিষ্ঠানকে ওই স্থানে পাথর উত্তোলন থেকে বিরত থাকতে হবে। ‘খনি ইজারা’ নিয়ে জাফলংয়ের সোনাটিলাসহ আশপাশের এলাকায় পাথর উত্তোলন করা হলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) একটি ফাঁড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নির্দিষ্ট করে ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর স্থাপন প্রসঙ্গে চিঠিতে আরও বলা হয়, জাফলংয়ের ওই স্থানে উন্মুক্ত শিলাস্তর, চুনাপাথর সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য জাতীয় স্বার্থে ২৫ দশমিক ৫৯ একর ভূমিকে ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্য ঘোষণা করা হয়েছে। ওই ভূমিতে আন্তর্জাতিক মানের একটি ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর নির্মাণ করা হবে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাদুঘর নির্মাণে ইতিমধ্যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এ জাদুঘর দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হবে। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ও সরকারের গৃহীত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএমডি আইনিভাবে মোকাবিলার প্রস্তুতিও নিয়েছে।

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুস সাকিব বলেন, বিএমডির মহাপরিচালক স্বাক্ষরিত চিঠিটি বৃহস্পতিবার পাঠানো হয়েছে। এ চিঠি পেয়ে বিএমডির কাজে সার্বিক সহায়তা করতে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি রয়েছে।এদিকে বিএমডির চিঠির বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করছেন জালালাবাদ লাইম ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ট্রেডিং অ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আফসার উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমরা উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় জাফলংয়ে অধিগ্রহণ করা জায়গায় অবস্থান নিয়েছি। সরকারকে আমরা টাকা দিয়ে ভূমির অধিগ্রহণ করেছি। সেখান থেকে পাথর তুললে এ জন্যও রেন্ট (টাকা) দেওয়া হবে। এখন এই জায়গা যদি সংরক্ষিত হয়, তাহলে অবশ্যই আমাদের অধিগ্রহণ করা ভূমির ক্ষতিপূরণ দিয়ে বিষয়টি সুরাহা করতে হবে।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!