Logo
সংবাদ শিরোনাম :
ভানুগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত রাজকান্দি রিজার্ভ ফরেস্টে কাটা হচ্ছে টিলা ও গাছ সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আব্দুর ববের শুভেচ্ছা বিনিময় কমলগঞ্জে ৭৫০ দৌড়বিদের অংশগ্রহণে আলট্রা ম্যারাথন গোকুলানন্দ গীতিস্বামী‘র ১২৯ তম জন্মবার্ষিকীতে আলোচনা সভা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে টিউবওয়েল বিতরণ কমলগঞ্জে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত নান্না বিআরডিবি’র সভাপতি নির্বাচিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ক্রমশ প্রাণী শুন্য হচ্ছে চা-পাতা ভর্তা আটার রুটি খেয়েই চলে চা শ্রমিকের দিন খাসিয়া জনগোষ্ঠীর বর্ষবিদায় অনুষ্ঠান ‘সেং কুটস্নেম’ উদযাপন মুন্সিবাজার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে ময়লার স্তুপ ! বন্যপ্রাণীর হাত থেকে ফসল রক্ষায় রাত জেগে পাহারা জীবন ও জীবিকাঃ বংশীবাদক কৃষ্ণের সুরের মূর্ছনা সাংবাদিকদের সাথে বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান প্রার্থী ময়নুল ইসলামের মত বিনিময় সাংবাদিকদের সাথে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাজী মুজিবের শুভেচ্ছা বিনিময় সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টার মৃত্যুতে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের শোক প্রকাশ জাতীয় সংহতি দিবসে বিএনপির আলোচনা সভা শেষ হলো ঐতিব্যবাহী মণিপুরি মহারাসলীলা উৎসব কমলগঞ্জে সম্পন্ন হলো চা শ্রমিকদের ২৫ তম কাত্যায়ানী পূজা

৫ বছরেরও শেষ হয়নি আবুল ফজল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের কাজ

রিপোটার : / ১৫৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।

কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের বৃন্দাবনপুর আবুল ফজল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবনের কাজ প্রায় ৫ বছরেও শেষ হয়নি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কাজ শেষ করার জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বারবার ধরনা দিলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ফলে চরম অস্বস্তিতে পুরাতন ভবনে চলছে পাঠদান।

জানা যায়, আবুল ফজল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৮৬ সালে স্থাপিত হয়। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছেন ৩৬০ জন। শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন ২০ জন। বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় ২০১৮ সালে আবুল ফজল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়টি ৩০০০ স্কুল প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে একটি উর্ধ্বমুখী চারতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করতে বলা হয়। এ জন্য ২ কোটি ৭৩ লাখ ৯০ হাজার ৬৫১ টাকাও বরাদ্দ দেওয়া হয়। যার প্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ৩ নভেম্বর নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) সংসদ সদস্য ও অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি।

২০১৯ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে যখন কাজ দেওয়া হয়, তখন ৪ তালা বিশিষ্ট এই ভবনের কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ১৮ মাস সময় বেঁধে দিলেও ২০১৯-২০ সালে দুতলা পর্যন্ত আংশিক কাজ হয় । তারপর থেকে বর্তমানে প্রায় তিন বছর ধরে কাজ বন্ধ অবস্থায় আছে।  

সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ৪ তালা বিশিষ্ট ভবনের দুতলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাই করা হয়েছে। তিনতলার ছাদ ঢালাইয়ের জন্য বাঁশ লাগানো হয়েছে। এরপর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যালয়ের ভবনটি সঠিক সময়ে কাজ না হওয়ায় অবকাঠামো সংকটে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। স্কুলের পুরাতন আধপাকা ঘরে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।

আলাপকালে বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৃষ্টি রানী দাস, ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ রহমান সাজু ও নিশাত জাহান রিজু তালুকদার জানান, শ্রেণীকক্ষ সংকট নিয়ে ছোট ছোট রুমে গাদাগাদি করে ক্লাস করানো হচ্ছে। এসব রুমে ক্লাস করতে আমাদের মন বসেনা। আমাদের নতুন ভবনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হোক। আমাদের স্কুলের অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ছিল নতুন ভবনে ক্লাস করবে, কিন্তু তারা এসএসসি দিয়ে চলে গেছে।

আবুল ফজল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, অনেক কষ্ট করে আমরা একটি ভবন পেয়েছিলাম। কিন্তু দীর্ঘ ৩ বছর ধরে কাজ বন্ধ আছে। আমরা জানিনা কেন কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। অনেক কষ্ট করে অবকাঠামো সংকট নিয়ে পাঠদান চলছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রভাষক মো: আব্দুল আহাদ বলেন, বিগত ৩ বছর ধরে আমরা সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বারবার যোগাযোগ করেও কাজ হচ্ছেনা। অবকাঠামো সংকট থাকায় বহুবার আবেদন করে একটি ভবন পেয়েছি। ভবনের কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমরা সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বারবার চিঠি দিয়েছি। আমাদের বিদ্যালয়ের অসমাপ্ত কাজ গুলো দ্রুত সম্পন্ন করা হোক।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. ফজলুর রহমান বলেন, কাজ শুরু করার কিছু দিন পর করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এসময় কাজ বন্ধ রাখা হয়। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের পর রড-সিমেন্টসহ নির্মাণ সামগ্রীর দাম অনেক বেশি বেড়ে যায়। যার জন্য আর কাজ করানো হয়নি। জিনিসপত্রের দাম কিছুটা স্থিতিশীল হলে আবার কাজ শুরু করবো।

মৌলভীবাজার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুল আরেফিন খান বলেন, দ্রবমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণ দেখিয়ে ঠিকাদার কাজ বন্ধ রেখেছেন। করোনা ভাইরাসের কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা যায়নি। কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা হয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই আবার কাজ শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১ মাসের মধ্যে যদি কাজ শুরু না করেন তাহলে আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পরিবর্তন করে ফেলবো।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!