Logo
সংবাদ শিরোনাম :
শমশেরনগর হাসপাতালে দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আল্পনার সাত রঙে সেজেছে বিটিআরআই সড়ক কমলগঞ্জে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিনে যুবদলের দোয়া মাহফিল সিলেটের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে কমলগঞ্জে বেলা’র প্রচারাভিযান ‘সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত কমলগঞ্জ থানা পরিদর্শন করেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মাধবপুর চা বাগান থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সাংবাদিক তুহিন হত্যা‘র প্রতিবাদে কমলগঞ্জে মানব বন্ধন কমলগঞ্জে গলাকেটে ছাত্রদল নেতাকে হত্যা তীরের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা কমলগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবসে আলোচনা সভা কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত । কমলগঞ্জ উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ গঠন দারিদ্রতার বেড়াজালে বন্দী অনন্যার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন কমলগঞ্জে যুবতীর আত্মহত্যা সীমাহীন ভোগান্তিতে টমেটো গ্রাম বনগাঁও এর কৃষকরা চিরনিদ্রায় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) সাজ্জাদুর রহমান চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ বাড়িতে গিয়ে জন্ম সনদ ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান

করোনার কারণে মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্পে ধস

রিপোটার : / ৭২২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২০ জুন, ২০২০

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

মৌলভীবাজার জেলায় সারা বছর পর্যটকদের আনাগোনা থাকলেও ঈদ এবং শীতে প্রচুর পর্যটক বেড়াতে আসেন। প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে এ জেলার কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে রীতিমতো ঢল নামে পর্যটকদের।

ঈদের ১০-১৫ দিন আগে থেকেই বুকিং হয়ে যায় প্রতিটি হোটেল-রিসোর্ট। ঈদের ছুটিতে মৌলভীবাজারের চা বাগানগুলোসহ কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাত, বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান স্মৃতি কমপ্রেক্স, মনিপুরী পাড়ায় এবং শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন চা-বাগান ও বাইক্কাবিল, কুলাউড়ার কালাপাহাড় ও হাকালুকি হাওরে অসংখ্য পর্যটকরা বেড়াতে আসেন। মৌলভীবাজার জেলার মাধবকুন্ড ও হামহাম জলপ্রপাত আর লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটক ঘুরতে আসেন প্রতিবছর। কিন্তু প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে এবার পর্যটন খাতে ধস নেমেছে। লকডাউন থাকায় এ বছর মৌলভীবাজারসহ সারা দেশের হোটেল-রিসোর্টে নেই পর্যটক। উল্টো দীর্ঘদিন পর্যটকের আগমন বন্ধ থাকায় ঝুঁকিতে পড়েছে পর্যটন শিল্প। কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন মালিকরা।

হোটেল-রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন বছরের এই সময়টায় আমাদের সবচেয়ে বেশি আয় হয়। দেশে নানা প্রান্ত এমনকি অনেক বিদেশী নাগরিক ও ঘুরতে আসেন মৌলভীবাজারের । আর এতে করে তাদের হোটেলের প্রতিটা রুম ঈদের সপ্তাহ-দশদিন আগে থেকেই বুকিং হয়ে যেত। তবে এবার করোনার এই সংকটকালীন সময়ে হোটেলগুলোতে সেই আমেজ নেই। হোটেল-রিসোর্ট বন্ধ থাকলেও গত মার্চ মাস থেকে কর্মচারীদের বেতন বাড়িতে পাঠাতে হচ্ছে। আর কতদিন এভাবে চলবে কিছুই ঠিক করে বলা যাচ্ছে না। তাই সরকারি সহায়তা না আসলে আমরা বড় বিপদে পড়ব।’করোনার কারণে র্দীঘদিন ধরে হোটেল – রিসোর্ট বন্ধ রয়েছে তাই পুঁজি হারানোর ভয়ে আছেন মালিকরা।

শ্রীমঙ্গলের শান্তিবাড়ি রিসোর্টের স্বত্তাধিকারী তানভীরুল আরেফিন লিংকন বলেন, ঈদকে ঘিরে আমাদের নানা রকমের পরিকল্পনা থাকতো। আর ঈদ মৌসুমে আমাদের ব্যবস্যাও সবচেয়ে বেশি হত। তবে এবার এক ভিন্ন পরিস্থিতি। 

তিনি আরও বলেন, ‘মার্চ মাসের ১৭ তারিখে আমরা রিসোর্ট বন্ধ করি। তবে বন্ধ করলেও রিসোর্টের রক্ষণাবেক্ষনের জন্য কর্মচারী রাখতে হয়। এছাড়া আমাদের সব কর্মীদের কোনভাবে বেতন দিয়ে যাচ্ছি। এখন সরকারি সহায়তা ছাড়া এবিপদ থেকে আমরা বের হতে পারবো না। আমাদের অন্তত ৬ মাসের মূলধন দিয়ে টিকিয়ে রাখতে হবে।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!