Logo
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ১০৩ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ নিরালা পুঞ্জিতে ৫ হাজার পুণ্যার্থীর মিলনমেলা ।। সম্পন্ন হলো প্রেসবিটারিয়ান বার্ষিক সভা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের ফুলেল শুভেচ্ছায় অভিভূত এমপি হাজী মুজিব পিতার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় মাঠে নেমেছেন ‘মুঈদ আশিক চিশতী’ হেলিকপ্টারে আগমন, হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে সাত পাকে বাঁধা চীনা কনে ও বাংলাদেশি যুবক কমলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি, রোগীসেবায় নতুন প্রত্যাশা শপথের পর বাড়িতে নয়, হাসপাতালে ছুটলেন এমপি হাজী মুজিব মধ্যরাতে ভৈরববাজারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল তিনজনের কমলগঞ্জে মণিপুরী ললিতকলা একাডেমিতে মহান শহীদ দিবস পালিত প্রেমের ডাকে চীন থেকে রাজনগর, হেলিকপ্টারে কনের আগমন শ্রীমঙ্গলে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এ বিনামূল্যে ৪ শতাধিক মানুষ পেলো চিকিৎসাসেবা কমলগঞ্জে মাহে রমজান উপলক্ষে অর্ধশতাধিক পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কমলগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু, পারিবারিক কলহের অভিযোগ অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে কমলগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা কমলগঞ্জে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ল সেবায়েতের খড়ের গাদা কমলগঞ্জের দুই সন্তান পৃথক আসনে জয়ী: আনন্দে ভাসছে উপজেলা মৌলভীবাজার–৪ আসনে তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত, ভরাডুবি প্রীতম দাশ–এর ব্যানার–পোস্টার অপসারণে মাঠে নেমেছেন নবনির্বাচিত এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরী আধিপত্য বিস্তারের মহড়ায় আদমপুর বিএনপি‘র দুই গ্রুপ :: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে কঠোর অবস্থানে পুলিশ।। মুজিবুর রহমান চৌধুরীর জয়ে কমলগঞ্জে দোয়া মাহফিল, শান্তি ও উন্নয়ন কামনা

ফিচার :- দৃষ্টিহীন মৃত্যুঞ্জয়ের জীবন সংগ্রাম

রিপোটার : / ৩৪৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পুরাতন কর্ণগাঁও গ্রামে। ১২ বছর বয়সে বাম চোখ অন্ধ হয়ে যায়। চিকিৎসার অভাবে পরে ডান চোখের আলোও হারান। দুচোখের আলো হারালেও জীবনযুদ্ধে হার মানেননি মৃত্যুঞ্জয়। হতাশা নয়, মনোযোগ দেন কাজে। ধীরে ধীরে পরিণত হন বাঁশ-বেতের নিপুণ কারিগরে।

তার দু’হাতের শৈল্পিক ছোঁয়ায় কুলা, চাটাই, চাঙারি, টুকরি, উড়া, ডালা, চালুনি, মাছ শিকারের খলই, ঝুড়ি ও হাঁস-মুরগির খাঁচাসহ বাঁশ ও বেতের নানান শৌখিন জিনিসপত্র বানান তিনি।

প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রমে মৃত্যুঞ্জয় সংসারের হাল ধরেছেন। হস্ত ও ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন বাবা বীরেন্দ্র বিশ্বাস। বছর খানেক আগে বিয়েও করেছেন মৃত্যুঞ্জয়। স্ত্রী, ছোট ভাই আর বৃদ্ধ বাবা-মাকে নিয়েই তার সংসার।

স্থানীয়রা জানান, ১২ বছর বয়স থেকে মৃত্যুঞ্জয়ের দুই চোখে ব্যথা হতো। ব্যয়বহুল চিকিৎসা করা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব হয়নি। প্রথমে বাম চোখ তিন বছর পর ডান চোখ অন্ধ হয়ে যায় তার। চোখে না দেখলেও বাঁশ ও বেতের কাজ আয়ত্ত করেছেন তিনি।

মৃত্যুঞ্জয় বলেন, ছোটবেলায় মাথা গোজার ঠাঁই ছিল না। টাকার অভাবে চোখের চিকিৎসা করাতে পারিনি। এখন চোখের রগ শুকিয়ে গেছে। চোখ আর ভালো হবে না বলেছেন চিকিৎসকরা। আমি চোখে দেখি না, তবে সৃষ্টিকর্তা আমাকে কাজ করার শক্তি দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, মানুষের কাছে হাত পেতে কিছু নেওয়া আমি পছন্দ করি না। চোখের আলো হারিয়ে বিমর্ষ হয়ে পড়েছিলাম। তবে হাল ছাড়িনি। কিছু করার অদম্য ইচ্ছা থেকে এ পর্যন্ত এসেছি। কাজ করে খাওয়ার মধ্যে আনন্দ আছে। সমাজে সবার সঙ্গে আনন্দ নিয়ে থাকা যায়।

মৃত্যুঞ্জয় বলেন, বাঁশ-বেতের তৈরি জিনিসপত্র বাজারে নিয়ে যেতে পারি না। পাইকাররা বাড়ি থেকে এসে নিয়ে যায়। ফলে কাঙ্ক্ষিত দাম পাই না।

এ বিষয়ে জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সূচিত্র রায় বলেন, প্রতিবন্ধী হওয়া যে সমাজের প্রতিবন্ধকতা নয় তা মৃত্যুঞ্জয় বুঝিয়ে দিয়েছেন। নিজের জীবনকে সুন্দর করে সাজিয়েছেন তিনি। আমরা অবশ্যই তার জন্য সরকারি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবো।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!