কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। শত চেষ্টা করেও বাঁচানো গেলো না হুমায়ুন কে । তার মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যাক্তিকে আইনের আওতায় এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানোর দাবী এলাকাবাসীর ।
সম্প্রতি টানা বৃষ্টিতে ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ধলাই নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে কমলগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কুমড়াকাপন (নতুন ব্রীজ সংলগ্ন) এলাকায় নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
গত ১৯ আগস্ট সকালে এই ঝুকিপূর্ণ বাঁধের উপর থেকে নদীতে ভেসে আসা জ্বালানিকাঠ সংগ্রহ করছিল প্রতিবেশী পরিবার। ঝুকিপূর্ণ বাঁধে দাঁড়িয়ে নদী থেকে জ্বালানি সংগ্রহে নিষেধ করে তীরবর্তী বাড়ীর বাসিন্দা হুমায়ুন আহমেদ (১৬)। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পিছন থেকে হুমায়ুনের মাথায় আঘাত করে প্রতিবেশী সায়েদ।
অতর্কিত এ আক্রমণে গুরুতর জখম হয়ে মাঠিতে লুটিয়ে পড়ে হুমায়ুনের দেহ । বাড়ীর লোকজন তাকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে কমলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় । পরে তার অবস্থায় অবস্থার অবনতি হওয়ায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা সর্বাত্মক চেষ্টা করেন কিন্তু বাঁচাতে পারেননি তাকে। টানা ১২দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে আজ শনিবার বিকালে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে । হুমায়ুনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া । সদালাপী, শান্তশিষ্ট হুমায়ুনের অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যাক্তিকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী ।