Logo
সংবাদ শিরোনাম :
শমশেরনগর হাসপাতালে দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আল্পনার সাত রঙে সেজেছে বিটিআরআই সড়ক কমলগঞ্জে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিনে যুবদলের দোয়া মাহফিল সিলেটের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে কমলগঞ্জে বেলা’র প্রচারাভিযান ‘সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত কমলগঞ্জ থানা পরিদর্শন করেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মাধবপুর চা বাগান থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সাংবাদিক তুহিন হত্যা‘র প্রতিবাদে কমলগঞ্জে মানব বন্ধন কমলগঞ্জে গলাকেটে ছাত্রদল নেতাকে হত্যা তীরের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা কমলগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবসে আলোচনা সভা কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত । কমলগঞ্জ উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ গঠন দারিদ্রতার বেড়াজালে বন্দী অনন্যার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন কমলগঞ্জে যুবতীর আত্মহত্যা সীমাহীন ভোগান্তিতে টমেটো গ্রাম বনগাঁও এর কৃষকরা চিরনিদ্রায় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) সাজ্জাদুর রহমান চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ বাড়িতে গিয়ে জন্ম সনদ ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান

মাল্টা চাষ করে সফলতা অর্জন করেছে রাজনগরের আল আমিন

রিপোটার : / ৭৮৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২০

কমলকন্ঠ রিপোর্ট।। মৌলভীবাজারের রাজনগরে মাল্টা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন কৃষক আল আমিন (৪৪)। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের নন্দীউড়া গ্রামের সুনাহর আলীর ছেলে। কৃষি কাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। এক সময় বাড়ির পাশে ৬০ শতাংশ জমিতে আউশ ও আমন ধান চাষ করতেন। বিগত ২০১৭ সালের মে মাসে উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শে ও উৎসাহে ওই ধানি জমিতে মাল্টার চাষ শুরু করেন। এরপর শুরু গাছের যত্ন নেয়ার কাজ। নিজের তত্বাবধানে কিছু শ্রমিক দিয়ে পরিচর্যা চলতে থাকে। বছর তিনেক যত্ন-আত্বির পর তার মাল্টা গাছে ফল ধরার খবর পেয়ে স্থানীয়রা বিষমুক্ত মাল্টা কিনতে ভীড় করছেন তার বাড়িতে। ২০০ টি মাল্টা গাছের প্রতিটিতে গড়ে ১২০ টি মাল্টা ধরেছে বলে তিনি জানান।

আল আমিন জানান, ধানের চেয়ে মাল্টা লাভজনক হওয়ায় উপজেলা কৃষি অফিস থেকে চারা ও সার পাওয়ার আশ্বাসে ওই জমি মাল্টা চাষের জন্য প্রস্তুত করেন তিনি। বিগত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের অর্থায়নে ওই জমিতে বারি মাল্টা-১ জাতের চারা লাগিয়ে পরিচর্যা শুরু করেন। গত বছর ফুল আসলেও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের পরামর্শে এসব ফুল ভেঙে দেন। ফলে গাছ গুলো আরো মজবুত ও ফলনের জন্য সামর্থ্যবান হয়। চলতি বছর সবগুলো গাছে ফল আসায় এবং ফলন ভালো হওয়ায় বিক্রি নিয়ে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তার বাগান দেখে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে পোষ্ট করার পর স্থানীয় মানুষজন মাল্টা কিনতে তার বাড়িতে ভীড় করতে থাকেন। এছাড়া স্থানীয় ফল ব্যবসায়ীরাও তার কাছ থেকে মাল্টা কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ফলে মাল্টা বিক্রি নিয়ে তার চিন্তা অনেকটা দূরিভুত হয়। ১৫০-১৮০ টাকা কেজি দরে এ পর্যন্ত এক মণের বেশি মাল্টা তিনি বিক্রি করেছেন। চলতি বছর এই বাগান থেকে ১ টন মাল্টা বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। তার এই সাফল্য দেখে স্থানীয় কৃষক ও বেকার যুবকরা মাল্টা চাষ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অনেকে চাষ পদ্ধতি ও পরামর্শ নিতে তার সাথে যোগাযোগ করছেন। এসব মাল্টা গাছ থেকে কলুম করে উৎপাদিত চারা বিক্রি করেও তিনি আরো আর্থিক সুবিধা পাবেন বলে মনে করছেন।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!