Logo

টেংরা ইউপি চেয়ারম্যানের বাসায় হামলা ও লুট, নারীসহ আহত ৫

Reporter Name / ৪৮১ Time View
Update : শনিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২২

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। মৌলভীবাজারের রাজনগরের টেংরা ইউপি চেয়ারম্যানের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নরীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নগদ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ও ৭ ভরি স্বার্ণালংকার লুটের অভিযোগ করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান টিপু খান। ঘটনার সময় ১ রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেলেও উভয়পক্ষই প্রতিপক্ষকে দায়ী করছে।

রাজনগর থানায় উভয়পক্ষই মামলা করেছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টেংরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. টিপু খানের ছোট ভাই দিপু খান শুক্রবার বিকালে টেংরা সর্দারশাহ মাজারে গিয়ে মাজারের সাদিক নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করেন। এসময় মাজার মসজিদের সেক্রেটারীকে গালাগাল করেন। চেয়ারম্যান বিষয়টি সমাধান করবেন বলে মাজারের খাদেম ইলিয়াস শাহকে আশ্বস্ত করেন।

রাতে আবারও চেয়ারম্যানের ভাই দীপু খান কয়েকজনকে গালাগাল করেন। রাত ৯টার পরে ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার (চেয়ারম্যান প্রার্থী) সেলিম আহমদের নেতৃত্বে একদল লোক হামলা চালায় বলে চেয়ারম্যান টিপু খান অভিযোগ করেন।

হামলার সময় চেয়ারম্যানের বৃদ্ধা মাসহ ভাই দিপু খান (৪৫), জুবায়ের আহমদ (২২) সহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। বাসার বিভিন্ন আলমারির গ্লাস ভাংচুর করে নগদ এক লক্ষ ২০ হাজার ও ৭ ভরি স্বার্ণালংকার লুট করে নেয়া হয় বলে টিপু খান দাবি করেন।

এদিকে এ ঘটনার সময় ১ রাউন্ড গুলির আওয়াজ শোনা গিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। তবে উভয় পক্ষই প্রতিপক্ষকের বিরুদ্ধে গুলি ছুড়ার অভিযোগ করেন।

টেংরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান টিপু খান বলেন, মাজারের এক পাগলের গালাগলি ও চিৎকারে বাসার লোকজন ও বাচ্চারা ঘুমাতে পারে না। আমার ভাই তাকে গালাগাল করেছিল। বিষয়টি আমি সমাধান করে দিব বলে মাজারের লোকদের ফোনে বলে ছিলাম। কিন্তু রাতে সেলিম মেম্বারের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র লোক বাসায় হামলা চালায়। বিভিন্ন ঘরে তল্লাশি করে আলমিরা ভাংচুর করে। নগদ ১ লাখ বিশ হাজার টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালংকার এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজ লুট করে নিয়ে যাওয়ার কালে দূর্বৃত্তরা পাইপগান দিয়ে গুলিও করেছে।

সাবেক ইউপি সদস্য (৪র্থ ধাপে চেয়ারম্যান প্রার্থী) সেলিম আহমদ বলেন, আমার নেতৃত্বে হামলার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। চেয়ারম্যানের মাদকাসক্ত ভাই বিভিন্ন মানুষদের গালাগালি করেছে। মাজারে গিয়েও গালাগাল-হামলা চালিয়েছে।

এ ব্যাপারে রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, টেংরা ইউনিয়নের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গুলির কথা উভয়পক্ষ বলেছে। আমরা এখনো পাইনি। বিষয়টি তদন্তাধীন আছে। এ এঘটনায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।


More News Of This Category
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!