Logo
সংবাদ শিরোনাম :
শমশেরনগর হাসপাতালে দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আল্পনার সাত রঙে সেজেছে বিটিআরআই সড়ক কমলগঞ্জে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিনে যুবদলের দোয়া মাহফিল সিলেটের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে কমলগঞ্জে বেলা’র প্রচারাভিযান ‘সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত কমলগঞ্জ থানা পরিদর্শন করেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মাধবপুর চা বাগান থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সাংবাদিক তুহিন হত্যা‘র প্রতিবাদে কমলগঞ্জে মানব বন্ধন কমলগঞ্জে গলাকেটে ছাত্রদল নেতাকে হত্যা তীরের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা কমলগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবসে আলোচনা সভা কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত । কমলগঞ্জ উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ গঠন দারিদ্রতার বেড়াজালে বন্দী অনন্যার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন কমলগঞ্জে যুবতীর আত্মহত্যা সীমাহীন ভোগান্তিতে টমেটো গ্রাম বনগাঁও এর কৃষকরা চিরনিদ্রায় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) সাজ্জাদুর রহমান চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ বাড়িতে গিয়ে জন্ম সনদ ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান

দারিদ্রতার যাতাকলে পিষ্ট বয়োবৃদ্ধ নগেন্দ্র মালাকারের মানবেতর দিন যাপনের কাহিনী !

রিপোটার : / ৭৪৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষা ইউনিয়নের পালিত কোণা গ্রামে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। একটা জরাজীর্ণ ঘরে চরম ভোগান্তিতে চলছে তাদের বসবাস।

জানা যায়, উপজেলার পতনউষা ইউনিয়নের পালিত কোণা গ্রামে বয়োবৃদ্ধ নগেন্দ্র দেবনাথ এর ২ মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে তার পরিবারে। ২মেয়ের লেখাপড়ার ব্যয়,পরিবারের যাবতীয় খরচসহ অন্যান্য ব্যয়ভার বহণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। জীবন চালানোর তাগিদে এক মেয়ে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করতেন। বর্তমানে সেই চাকুরী না থাকার কারণে অতিকষ্টে দিন পার করছে এ অসহায় পরিবারটিকে।

অপরদিকে, বসবাসের অনুপযোগী তাদের ঘরটিও বেহাল দশায়। বয়োবৃদ্ধ নগেন্দ্র দেবনাথ ও ইশা রাণী নাথ জানান, ‘আমরা অত্যন্ত গরিব মানুষ। দিন আনি, দিন খাই।’ নগেন্দ্র দেবনাথ বলেন, আগে কৃষিকাজ করে জীবিকা চলতো। কিছু দিন রাস্থায় রাস্থায় ভ্রাম্যমান পানের দোকানদারী করেছিলাম। এখন গায়ে সেই শক্তি আর নেই। বাড়ির একমাত্র ঘরটি বেহাল দশা হওয়ায় অতিকষ্টে দিন পার করছি পরিবার নিয়ে। বর্তমানে ঘরের টিনের বেড়াসহ ১লক্ষ টাকার মালামাল হলে কোন রকমে ঘরের কাজটা শেষ করতে পারতাম। কিন্তু কোথায় পাব টাকা? যদি সমাজের বৃত্তবানরা একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতো তবে দুটি মেয়ে নিয়ে নিরাপদে দিন কাটাতে পারতাম। হত দরিদ্র বয়োবৃদ্ধ নগেন্দ্র প্রত্যাশা তার করুণ অবস্থার কথা জেনে যদি কোন হৃদয়বান ব্যক্তি বা সরকারের কোন সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়ায় তবে শেষ বয়সে মাথা গোজার একটা ব্যবস্থা হতো। সমাজের বিত্তবান কোন ব্যক্তি কি এই অসহায় ব্যক্তির পাশে দাড়াবেন?


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!