সবুজ ক্যাফেটেরিয়া
মোঃ তোফায়েল হোসেন
সে তার অস্তিত্ব নিয়ে এমনইভাবে উদ্ভাসিত হয়
চিরবসন্তময় অচেনা তৃণভূমিতে।
কিংবা তারে দেখা যায় সাগরতলের অরণ্যে- অনাসৃষ্টিতে!
তার ছায়ারা প্রতিনিয়ত এমনই ম্রিয়মাণ- খটকাময়!!
তাই আমার কবিময় জীবনের উপাখ্যানে সে
হয় অমৃতলোকের অজানা সোনালি অক্ষর।
আমি বুঝে না-বুঝে তারে নিয়ে লিখি-
দেখি পদ্মার জলে তার সূর্য ডুবে অগ্নিমূর্তি ইশারায়;
দ্রুতলয়ে গড়িয়ে চলা সময়ে পড়ে ধুলার আস্তরন।
শেষ বেলার সূর্যরশ্মির প্রশস্ত বিস্তার
তার শরীরে ধরায় ম্যালেরিয়ার কাপন।
স্বপ্ন আঁধারির এক ধরা না দেওয়া
মায়াময় মমতার বিদ্রুপাত্মক চাঞ্চল্য
আর ভাবনাসংকুলতায় আমি হই জটিল শিকার।
মুক্ত হেঁয়ালিপনার দৌড়ে চিন্তারা হয় বিপদাপন্ন;
দেহভঙ্গির মৃত্যুদিবসে তার ঠোঁটের স্বচ্ছ আভা
দেয় বিপরীতমুখী অপেক্ষার ইশারা।
রেইনট্রির ঘন বিস্তার যদিও আকাশ আড়াল করে
তবুও বিস্তীর্ণ মাঠে সঙ্গোপনে পড়ে শিল-কড়ইয়ের ছায়া।
আমি বাঁধা পড়ি তার উষ্ণ সোহাগী ক্ষুধার্ত আলিঙ্গনে!
তার নিঃসংকোচ আকস্মিকতায় আমি হই বিস্ময়াভিভূত।
সুচারু চিত্তের পরিচ্ছন্ন উপমাময় সোনালি শিহরণ,
নেশাগ্রস্ত কন্ঠ আর আগ্রাসী উৎফুল্লতায়
আমি হই আবদ্ধ- আকর্ষণতাড়িত মায়াজালে;
শুয়ে পড়ি তার প্রকৃতিময় সবুজ ক্যাফেটেরিয়ায়।
======***======
(০৯ জুলাই ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দ)