Logo
সংবাদ শিরোনাম :
শতাব্দী পেরিয়ে ঐতিহ্যের ধারা—পৌষ সংক্রান্তিতে কমলগঞ্জে ১১৬তম ‘নিমাই সন্ন্যাস’ উৎসব অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে হিফজ সমাপ্তকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠান পৌষসংক্রান্তি ঘিরে কমলগঞ্জে জমজমাট ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে সিলেটের স্বাদ-ঐতিহ্য চুঙ্গাপুড়া পিঠা কমলগঞ্জে মনিপুরীদের ১১৬তম শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী ‘নিমাই সন্ন্যাস’ উৎসব বুধবার কমলগঞ্জে হৈরোল ফাউন্ডেশনের গুণীজন সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন কাবিনের জমিতে গড়া শিক্ষালয়: ত্যাগের মহিমায় বিদায় নিলেন প্রধান শিক্ষক পারভীন সুলতানা র‌্যাব-৯-এর বিশেষ অভিযানে কমলগঞ্জে এয়ারগান ও গুলি উদ্ধার কমলগঞ্জে বেপরোয়া পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় নিহত বৃদ্ধা শীতের তীব্রতায় অসহায়দের পাশে পুনাক মৌলভীবাজারে ৮০ জনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ মনোনয়ন বাছাইয়ে মৌলভীবাজারে চার আসনে টিকে রইলেন ২৬ প্রার্থী স্মৃতির টানে একত্রিত প্রাক্তনরা, আহমদ ইকবাল মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলনমেলা গভীর রাতে শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল পৌঁছে দিলেন ইউএনও আদমপুর ইউনাইটেড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পৌষের শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মৌলভীবাজারের ৯২ বাগানের চা শ্রমিক কমলগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল মনিপুরী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে তারুণ্যের নবযাত্রা: কমলগঞ্জে লৈশেমপুং ও ইউনেস্কোর বিশেষ আয়োজন কমলগঞ্জে ‘হৈরোল ফাউন্ডেশন’ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন কমলগঞ্জে “পাঙাল সাহিত্য” সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠিত  শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জের ১১৩ গির্জায় উৎসবমুখর ও ভাবগাম্ভীর্যে বড়দিন পালিত

মধূমাসে কমলগঞ্জে জমে উঠেছে মৌসুমি ফলের বাজার

রিপোটার : / ৩০১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ২২ মে, ২০২২

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।

কমলগঞ্জের হাট বাজারগুলোতে গ্রীষ্মের মৌসুমি ফল বিক্রি জমে উঠেছে। বৈশাখের মাঝামাঝি সময় থেকে জৈষ্ঠ্যমাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত এ ফলগুলো বাজারে পাওয়া যায়। বনাঞ্চল অধ্যুষিত উপজেলা থাকায় এখানে কাঠাল, লিচু, আনারস ও আম মৌসুমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া যায়। বরাবরের মতো এবারেও মৌসুমি ফলের ফলন ও বাজারদর ভালো রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান।

ফলের সাথে সংশ্লিষ্ট মৌসুমি ব্যাবসায়ীরা জানান, বৈশাখের শেষ সপ্তাহ থেকে গ্রামের ছোটছোট ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিশেষ করে আনারস, কাঠাল, আম ও লিচু ক্রয় করে ঠেলা বা ভ্যান গাড়ি করে বাজারে নিয়ে আসেন। আবার অনেকে কাঁধভার করে ঝুঁড়ি সাজিয়ে ফল নিয়ে বাজারে আসেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগ বিক্রেতা বাজারে বসে খুচরা বিক্রি করলেও অনেকেই পাইকারী বিক্রি করেন। এ উপজেলার লিচু, কাঠাল ও আনসার সারাদেশে বাজারজাত করা হয়।

সরেজমিনে উপজেলার শমশেরনগর, ভানুগাছ, আদমপুর ও মুন্সীবাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এলাকার খুচরা বিক্রেতার কাছ থেকে কাঠাল, আনারস, লিচু ক্রয় করছেন বাজারের স্থায়ী ফল ব্যবসায়ীরা। এসব ফল আকার অনুযায়ী আবার কেউ একসাথে গড়মিলিয়ে ক্রয় করছেন। আর ব্যাবসায়ীরা খুচরা ক্রেতার কাছে কাঠাল, আনারস ও লিচু আকার অনুযায়ী বিক্রি করছেন। প্রতি পিছ মাজারি কাঠাল ১০০ থেকে ২০০ টাকা, এক হালি আনারস আকার অনুপাতে ১০০ থেকে ২২০ টাকা, একশো পিচ স্থানীয় লিচু ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা ও কেজি প্রতি আম ৬০ থেকে ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। জৈষ্ঠ্যমাসের শেষদিকে এসব ফলের দাম কমে আসবে বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

শমশেরনগর বাজারে মৌসুমে ফল কিনতে আসা আরিফ আহমেদ, নিবাস চন্দ বলেন, আমরা সবসময় গ্রামের খুচরা ফল বিক্রেতার কাছ থেকে ফল কিনি। কারণ তাদের ফলে কোন ফরমালিন যুক্ত থাকে না। বাজারে নতুন ফল এসেছে এ জন্য দাম একটু বেশি। শুধু মাত্র জৈষ্ঠ্যমাসের ে শষভাগে এসব মৌসুমি ফল ইচ্ছেমতো পাওয়া যায়।

উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের কাঠাল ব্যবসায়ী ময়নুল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকায় টিলা বেশি থাকায় কাঠাল গাছও বেশি। একেকটা কাঠাল গাছে ১০০ থেকে ২৫০ কাঠাল ধরে। আমরা বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি সময়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে কাঠাল গাছের পুরো কাটাল পাইকারি  কিনে নেই। আবার অনেকে সময় ১০০ পিচ হিসাবে কিনি। আমরা কাঠালের আকার অনুযায়ী ১০০ পিছ কাটাল ৩০০০ থেকে ৮০০০ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করি। এগুলো আবার বাজারে প্রতি পিছে ১০ থেকে ৪০ টাকা লাভ দেখে বিক্রি করি। ঠিক একই রকম আনারস বিক্রির কথা জানালেন আকবর মিয়া নামে এক আনারস ব্যবসায়ী।

উপজেলার ফল ব্যবসায়ি আব্দুর রহিম বলেন, মৌসুম ফলে ক্রেতার চাহিদা বেশি। বাজারে প্রতিদিন যে ফল আসছে এগুলোর দাম একটু বেশি থাকায় বিক্রি করতে একটু সমস্যা হচ্ছে। কাঠাল, আনারস, লিচু ও আমের দাম একটু বেশি। কয়েকদিনের মধ্যে এগুলোর মূল্য স্বাভাবিক হয়ে যাবে। স্থানীয় কাঠাল, আনারস ও লিচু বাজারে উঠলেও আমের দেখা কিছুটা কম মিলছে। জৈষ্ঠ্যমাসের মাঝামাঝি থেকে পুরোদমে ফল বিক্রি শুরু হবে বলে তিনি আশা করছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জনি খান বলেন, এ উপজেলা বনাঞ্চল ও কৃষি বান্ধব। এখানে সব ধরনের ফল পাওয়া যায়। এখানকার টিলার মাটি উর্ভর থাকায় অতি সহজে আম, কাঠাল, লিচু ও আনারস চাষ করা যায়। বিশেষ করে এখান থেকে কাঠাল ও আনারস সারাদেশে বাজারজাত করা হয়। তিনি আরও বলেন, আস্তে আস্তে বিক্রেতারা মৌসুমি ফল বাজারে তুলতে শুরু করেছেন। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের প্রাকৃতিক কোন  দুর্যোগ না আসায় মৌসুমি ফলের ফলন ভালো হয়েছে বলে তিনি জানান।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!