Logo
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে হৈরোল ফাউন্ডেশনের গুণীজন সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন কাবিনের জমিতে গড়া শিক্ষালয়: ত্যাগের মহিমায় বিদায় নিলেন প্রধান শিক্ষক পারভীন সুলতানা র‌্যাব-৯-এর বিশেষ অভিযানে কমলগঞ্জে এয়ারগান ও গুলি উদ্ধার কমলগঞ্জে বেপরোয়া পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় নিহত বৃদ্ধা শীতের তীব্রতায় অসহায়দের পাশে পুনাক মৌলভীবাজারে ৮০ জনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ মনোনয়ন বাছাইয়ে মৌলভীবাজারে চার আসনে টিকে রইলেন ২৬ প্রার্থী স্মৃতির টানে একত্রিত প্রাক্তনরা, আহমদ ইকবাল মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলনমেলা গভীর রাতে শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল পৌঁছে দিলেন ইউএনও আদমপুর ইউনাইটেড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পৌষের শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মৌলভীবাজারের ৯২ বাগানের চা শ্রমিক কমলগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল মনিপুরী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে তারুণ্যের নবযাত্রা: কমলগঞ্জে লৈশেমপুং ও ইউনেস্কোর বিশেষ আয়োজন কমলগঞ্জে ‘হৈরোল ফাউন্ডেশন’ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন কমলগঞ্জে “পাঙাল সাহিত্য” সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠিত  শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জের ১১৩ গির্জায় উৎসবমুখর ও ভাবগাম্ভীর্যে বড়দিন পালিত তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কমলগঞ্জে বিএনপির স্বাগত মিছিল কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সভা ও কমিটি গঠন সীমান্তবর্তী এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিলো ৪৬ বিজিবি হাবিবুন নেছা চৌধুরী গার্লস একাডেমির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নারী-শিশু সুরক্ষা ও সামাজিক অপরাধ দমনে মাধবপুরে বিট পুলিশিং সভা

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে শেরপুরে মাছের মেলার অনুমতি মেলেনি

রিপোটার : / ২৭৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২২

জানুয়ারী ১৩, ২০২২: কমলকন্ঠ রিপোর্ট॥ এবারও হলোনা মৌলভীবাজারের শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা। মহামারি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাছের মেলার অনুমতি মেলেনি।

প্রায় ২শত বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে সিলেট বিভাগের চার জেলার মিলনস্থল মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরে। তবে মহামারি করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছর (২০২১) মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। এবছরও একই কারণে মেলার অনুমতি মেলেনি।

শেরপুর থেকে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি সাংবাদিক নূরুল ইসলাম জানিয়েছেন, করোনা প্রতিরোধে প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক এবছরও মাছের মেলার আয়োজন হয়নি।

জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুমুখ এলাকায় মথুর বাবু নামের একজন জমিদার প্রায় ২শত বছর পূর্বে পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে এ মাছের মেলার আয়োজন করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজও প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে আয়োজন হয়ে থাকে ঐ মেলাটি। ক্রমান্বয়ে মেলাটি স্থানান্তরিত হয় উপজেলার শেরপুরের কুশিয়ারা নদীর তীরে। প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তিতে মেলাটির আয়োজন হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, এই মেলাটি মাছের মেলা নামে পরিচিত হলেও মেলায় ফার্নিচার, গৃহস্থলী সামগ্রী, খেলনা সামগ্রীসহ গ্রামীণ ঐতিহ্যের বিভিন্ন ধরনের দোকান বসে থাকে। মেলাটি ঐ এলাকায় সার্বজনীন উৎসবে রূপ নিয়ে থাকে। মূল মেলার আগে ও পরে সময় বাড়িয়ে এটিকে তিন দিনের আয়োজনে রূপ দেওয়া হয়েও থাকে।

প্রতিবছর সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাওর বাওরের মাছের উপর নির্ভর করে এই মাছের মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। মাছের মেলাকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই কে কত বড় আকৃতির মাছ মেলায় ওঠাতে পারেন এ নিয়ে ভেতরে ভেতরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চলে এক ধরনের প্রতিযোগিতা। এতে মৎস্যজীবিরা মেলায় মাছ বিক্রির জন্য প্রায় ৪/৫ মাস পূর্বে থেকেই মাছ সংগ্রহ করতে শুরু করেন। ঐ মাছগুলো বিশেষ পন্থায় পানিতে জিইয়ে তাজা রাখেন। তবে গেলো বছরের ন্যায় এবছরেও মেলা না হওয়ায় এলাকার মৎস্যজীবিদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী মাছ সংগ্রহে রেখেছেন। কিন্তু মেলা না হওয়াতে তাদের অনেককেই এখন লোকসান গুণতে হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!