Logo
সংবাদ শিরোনাম :
শমশেরনগর হাসপাতালে দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আল্পনার সাত রঙে সেজেছে বিটিআরআই সড়ক কমলগঞ্জে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিনে যুবদলের দোয়া মাহফিল সিলেটের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে কমলগঞ্জে বেলা’র প্রচারাভিযান ‘সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত কমলগঞ্জ থানা পরিদর্শন করেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মাধবপুর চা বাগান থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সাংবাদিক তুহিন হত্যা‘র প্রতিবাদে কমলগঞ্জে মানব বন্ধন কমলগঞ্জে গলাকেটে ছাত্রদল নেতাকে হত্যা তীরের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা কমলগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবসে আলোচনা সভা কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত । কমলগঞ্জ উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ গঠন দারিদ্রতার বেড়াজালে বন্দী অনন্যার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন কমলগঞ্জে যুবতীর আত্মহত্যা সীমাহীন ভোগান্তিতে টমেটো গ্রাম বনগাঁও এর কৃষকরা চিরনিদ্রায় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) সাজ্জাদুর রহমান চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ বাড়িতে গিয়ে জন্ম সনদ ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান

কমলগঞ্জে নিম্নবিত্তের কাছে সবজিও এখন“বিলাসী পণ্য”

রিপোটার : / ১১০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। কমলগঞ্জ উপজেলায় সপ্তাহের ব্যবধানের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারের এমন অস্থিতিশীলতায় নিম্নআয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তদের নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে। এক সময় নিম্নবিত্তের সব্জিও এখন “বিলাসী পণ্যে” তালিকায় উঠে এসেছে। শত টাকা নিচে সবজি কেনা যায়না। তাই নিম্ন আয়ের মানুষরা পরিবার নিয়ে সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছেন। উপজেলার বাজার সমুহে ধণিয়াপাতার কেজি ৬০০ ও কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার উপজেলার পৌর শহরের প্রদান বাজার ভানুগাছ বাজার.শমসেরনগর,মুন্সিবাজার,আদামপুর বাজার,মাধবপুর বাজার ঘুরে দেখাগেছে,নিত্যপণ্য সবজির আগের চেয়ে দাম ২ থেকে ৩ গুণ বেড়ে গেছে। বর্তমানে বাজারে ধনিয়াপাতার কেজি ৬০০ টাকা ও কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে কাঁচামরিচ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা ও ধনিয়াপাতা ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হয়েছিল।
এছাড়া কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে.প্রায় প্রতিটি পণ্যেরই প্রকার ভেদে ১৫ থেকে ২০ টাকা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি কেজি বেগুন ১২০ টাকা,করলা ১২০ টাকা,শসা ৯০ টাকা,আলু ৭০ টাকা টেঁড়শ ১২০ টাকা,বরবটি ১১০ টাকা,গাজর ১২০ টাকা,পটল ১০০ টাকা,লাউ ৮০ থেকে ৯০ টাকা,মিষ্টি কুমড়া প্রকার ভেদে ৮০ থেকে ১৮০ টাকা,চাল কুমড়া ৮০/৯০ টাকা,কাঁচা কলা ৬০/৭০টাকা, টমেটো ১৪০/১৬০টাকা,চিচিংগা ৯০ টাকা,পুঁইশাক ৬০ টাকা,লাল শাখ ৬০ টাকা,কাঁকরোল ১০০ টাকা,মুখি ৬০ টাকা,বাঁধা কপি ১১০ টাকা ও পিয়াজ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ভানুগাছ কাঁচা বাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা রহমত মিয়া বলেন,“চোখে অন্ধকার দেখছি”। সামান্য আয় দিয়ে কিভাবে সংসার চালাবো তা বুঝতে পারছিনা। সবজি কিনবো সেই অবস্থাও আর নেই।
হনুফা বেগম বলেন,বাজারে আসার কথা শুনলেই গাঁ শিউরে উঠে। আগে যে টুকু ক্রয় করতাম এখন সেটা অর্ধেকে নামিয়ে এনেছি। তবু ও মাসে ধার-দেনা করতে হয়।
মুক্তিযোদ্ধা রাকেশ শব্দকর বলেন,গত সপ্তাহে যে জিনিস কিনেছি ৫০/৬০ টাকায় ,এখন একই জিনিস কিনতে হচ্ছে ৯০/১০০ টাকায়। সেই তুলনায় আমাদের আয় বাড়েনি। আগে মাসে যা আয়-রোজগার করতাম তা দিয়ে সংসারে নিত্য দিনের চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যতের জন্য কিছু সঞ্চয় করতে পারতাম। এখন তা আর সম্ভব নয়।
বাজার করতে আসা রেজিয়া বেগম,তাহির মিয়া, রমজান আলী,সত্যজিত রায় ও রায়হান মিয়ার সাথে আলাপ করলে তারা ক্ষোভের সাথে বলেন,এখন সঞ্চয়তো দুরের কথা দার- দেনা করে সংসারের নিত্য প্রয়োজনীয় কাজ করতে হচ্ছে।
কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী শামীম মিয়া বলেন,এখন বাজারে সবজির দাম বাড়ার কারনে আগের মতো বিক্রি হচ্ছেনা। কারন ক্রেতারা আগে যে সবজি কেজি/২ কেজি নিতেন এখন তার অর্ধেক কিনছেন।
কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী সুমন বলেন,বাজারে সবজি সরবরাহ কম,তাই দাম বেশী। দাম বেশী হওয়ার কারনে ক্রেতারা অল্প অল্প কিনছেন।
কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী ভুষন রায়,সোহেল আহমেদ,রশীদ আলী বলেন,এখন বাজারে চাহিদার চেয়ে সবজি যোগান কম। জিনিসের দাম বাড়ানো আমাদের কোন হাত নেই। আমরা আড়ৎদারদের কাছ থেকে যে দামে কিনে আনি তার সাথে পরিবহনের খরচ যোগ করে জিনিসের দাম নির্ধারণ করি। এরপর সীমিত টাকা মুনাফা করে আমরা ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করি। তারা আরো বলেন,আর বাজারের নিত্য পণ্যের সরবরাহ এখন কম,তাই দাম একটু বেশী মনে হচ্ছে। আমরা কম দামে কিনতে পারলে,আমরা ও কম দামে বিক্রি করবো।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!