Logo
সংবাদ শিরোনাম :
রাতে সস্তা হোটেল, দিনে অপরাধ—কমলগঞ্জে অপহরণচেষ্টার ঘটনায় ধরা পড়ল চক্র কমলগঞ্জে দুষ্কৃতিকারীদের আগুনে গরুর ঘর ও ধানের গোলা পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৫ লাখ কমলগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালন, ভূমিকম্প উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া রমজান উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে দেড় সহস্রাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কমলগঞ্জে নারী অপহরণচেষ্টা, ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে পুলিশকে কঠোর নির্দেশ এমপি হাজি মুজিবের কমলগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে ওয়াইসিজি’র সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন কমলগঞ্জে প্রাইভেট কারে তুলে অপহরণের চেষ্টা, সাহসিকতায় রক্ষা পেলেন নারী লিটারে কম পেট্রোল বিক্রি: কমলগঞ্জে চার প্রতিষ্ঠানকে ৩৯ হাজার টাকা জরিমানা কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন, রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ শ্রীমঙ্গলে রঙের হাঁড়ি ভেঙে দোল উৎসবের উদ্বোধন, হাজারো ভক্তের মিলনমেলা কমলগঞ্জে ছাত্র অধিকার পরিষদের ৬ মাসের আংশিক কমিটি অনুমোদন রঙে-ভক্তিতে মুখর শ্রীশ্রী বিষ্ণুপদ ধাম, যোগ দিলেন চীনা নাগরিকরা শ্রীমঙ্গলে শ্রীশ্রী জগদ্বন্ধু আশ্রম পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ ঝুমুর নাচে, আবিরের ছোঁয়ায় আলীনগরে ফাগুয়ার উচ্ছ্বাস ভাতার কার্ডের আশায় চার বছর, সমাজসেবা কার্যালয়ে শুধু প্রতিশ্রুতি সম্মাননা ও ইফতারে প্রাণবন্ত কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে আত্মনির্ভরতার পথে ৩০ নারী এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে ভুরভুরিয়া ছড়ায় পরিষ্কার অভিযান কমলগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ১০৩ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ নিরালা পুঞ্জিতে ৫ হাজার পুণ্যার্থীর মিলনমেলা ।। সম্পন্ন হলো প্রেসবিটারিয়ান বার্ষিক সভা

তীব্র খরায় চৌচির ফসলী জমি :: দিশেহারা কৃষক

রিপোটার : / ৮৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।অতিবৃষ্টি এর পর দফায় দফায় বন্যায় পঁচে নষ্ট হয়ে যায় মৌলভীবাজারের কৃষকের স্বপ্নের আমন খেত। কৃষকেরা বিভিন্ন জায়গা থেকে আমন ধানের চারা দ্বিগুণ দামে ক্রয় করে আবার রোপণ করে ঘুরে দাঁড়ানো চেষ্টা করেন। তবে স¤প্রতি গত কয়েকদিনের খরায় আমন ধানের জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। এতে করে আমন চাষিদের কপালে পড়ছে নতুন করে চিন্তার ভাজ। শুধু ধান খেতই না, তীব্র খরায় পুড়ছে আগাম জাতের শীতকালীন সবজী।

জেলার কৃষকেরা জানান, স¤প্রতি বন্যায় আমাদের আমন ফসল পঁচে নষ্ট হয়ে যায়। অনেক কৃষক দ্বিগুণ দামে আবার চারা কিনে রোপন করেন। তবে গত কয়েকদিনের তীব্র গরমে রোপন কৃত জমি শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। বৃষ্টি না হলে এসব জমির আমন ধান নষ্ট হয়ে যাবে। এতে করে কৃষক এক মৌমুমে দুই বার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। যারা ঋণের ওপর আবার ঋণ করে চারা কিনে আমন রোপণ করেছিলেন এসব কৃষক এখন দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। কিছু কিছু জায়গায় কৃষকেরা সেচ দিয়ে পানি দিচ্ছেন জমিনে।

জেলার কমলগঞ্জ, রাজনগর ও কুলাউড়া উপজেলা সরেজমিনে দেখা যায়, জেলায় বন্যায় রোপণ কৃত আমনের চারা নষ্ট হওয়ার পর কৃষকেরা নতুন করে আবার দ্বিগুণ দামে চারা কিনে রোপণ করেন। গত ৩ সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় অতি গরমে আমনের জমি ফেটে গেছে। এতে করে রোপণ কৃত আমন ধানের চারা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি এক সপ্তাহের মধ্যে বৃষ্টি বা সেচ দেওয়া না হয় তাহলে কৃষকেরা আবার ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এছাড়া তীব্র খরার প্রভাব শীতকালীন সবজীসহ বিভিন্ন ফসল নষ্ট হচ্ছে।

জেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, চলতি বন্যায় ৪০হাজার ৪৮২ হেক্টর জমির আমনফসল তলিয়ে যায়। বন্যার পানি কমার পর জেলায় ১৪ হাজার ৫৫১ হেক্টর আমন ফসল পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্য পরবর্তী সময়ে কৃষকেরা বিভিন্ন জায়গা থেকে ধানের চারা সংগ্রহ করে আবার আমন ধানের চারা রোপণ করছেন। বর্তমানে জেলায় ১ লাখ ১ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় পানির অভাবে অনেক জমিন শুকিয়ে গেছে। এসব জমিতে সেচ না দিলে চারা নষ্ট হয়ে যাবে।

জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার কৃষক আনোয়ার খান বলেন, ‘একর প্রতি ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা খরচ করে আমরা আমন ধানের চারা রোপণ করছি। বন্যায় ধানের চারা পচেঁ নষ্ট হওয়ায় নতুন করে বিভিন্ন জায়গা থেকে দ্বিগুণ দামে আমন ধানের চারা কিনে আবার রোপণ করছি। সব মিলে প্রতি একর জমিতে ২২ থেকে ২৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন বৃষ্টি না হওয়ায় জমি শুকিয়ে আবার ধান গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এবছর প্রতি কৃষক এক মৌসুমে ২ বার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’

রাজনগর উপজেলার কৃষক শওকত আলী বলেন, ‘আমার দুই একর জমির আমন ফসল পঁচে একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। এরপর আবার চারা কিনে রোপন করেছি। এখন গত কিছুদিন ধরে পানির অভাবে আবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ধান গাছ। বারবার ঋণ করে আমন চাষ করেছি। এখন যদি খরায় আমন ধান নষ্ট হয়ে যায় তাহলে মানুষের কাছে হাত পেতে চলতে হবে।’

মৌলভীবাজার কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন,‘তীব্র গরমে অনেক আমন ফসলের মাঠ শুকিয়ে গেছে। ধানের চারা রক্ষার জন্য সেচ দিয়ে পানি দিতে হবে। আমরা কৃষকদেরকে বলে দিয়েছি পিও ভিট ও এমওপি সার ব্যবহার করার জন্য। তাহলে কিছুটা খরতাপ থেকে ফসল রক্ষা পাবে।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!