কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। মৌলভীবাজার ইসলামিক ফাউন্ডেশন জেলা কার্যালয়ে ২ জন কর্মকর্তা দিয়ে চলছে কার্যক্রম। জনবল সংকটের কারনে ব্যাহত হচ্ছে ফাউন্ডেশনের সেবা কার্যক্রম।
সম্প্রতি ইসলামিক ফাউন্ডেশন জেলা কার্যালয়ে সরেজমিন গিয়ে ফাউন্ডেশন এর বার্ষিক কর্মসূচির সেবা কার্যক্রম ও মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষা ও প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম এর কেন্দ্র সংখ্যা এবং কেন্দ্রের অবস্থান, ফাউন্ডেশনের সেবা কার্যক্রম ও ইফা জেলা কার্যালয়ের তথ্য বাতায়ন হালনাগাদ আপগ্রেড সম্পর্কে বিবিধ তথ্য সেবা নিতে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। জেলার ইফা তথ্য বাতায়ন নিয়মিত আপগ্রেড হয় না৷ জেলার মসজিদ ভিত্তিক শিশু গণশিক্ষা কেন্দ্রের তালিকা কেন্দ্রের অবস্থান কেন্দ্র শিক্ষকদের নামের তালিকা তথ্য বাতায়নে আপগ্রেড করার কথা থাকলেও অদ্যাবধি তথ্যগোলো ইফা জেলা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হচ্ছে না। এতে জেলার অনেক নাগরিকরা তথ্য সেবা সেবা পাচ্ছে না বলে জানান প্রতিবেদককে।
জেলার বিভিন্ন স্তরের একাধিক ব্যক্তিবর্গরা জানান,ইফার সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডের তথ্য সেবা সম্পর্কে আমরা জানতে পারি না, যদি তথ্য বাতায়ন হালনাগাদ করা হতো তাহলে আমরা সহজে তথ্য সেবা জানতে পারতাম। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সুত্রে জানা যায়, জেলা কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে ১১ জন কর্মকর্তা থাকার কথা থাকলেও মাত্র ২ জন বেতনভুক্ত কর্মকর্তা রয়েছেন। উপপরিচালক এর চলতি দায়িত্বে আছেন মোঃ আনোয়ারুল কাদির(বেতনভুক্ত) সহাকারী পরিচালকের পদ শূন্য, ফিল্ড অফিসারের পদ শূন্য। তবে এপদে দায়িত্ব পালন করছেন মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের নিয়োগপ্রাপ্ত ফিল্ড অফিসার ইয়াহহিয়া আহমেদ চৌধুরী, হিসাব রক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন, মোঃ আশিকুর রহমান চৌধুরী, এলডিএ-২ পদে বেতনহীন ২ জন কর্মচারী রয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছেন মোঃ আনোয়ার হোসেন, ও শাহ মোহাম্মদ শাহীন মিয়া, বিক্রয় সহকারী পদ শূন্য, মোঃ জাকির হোসেন নামে একজন অফিস সহকারী রয়েছেন (বেতনহীন) নিরাপত্তা প্রহরী পদে কোনো কর্মচারী নেই, আউটসোর্সিং এ সুপারভাইজার পদে কর্মরত রয়েছেন, মোহাম্মদ নেওয়াজ উদ্দিন,যিনি মাসিক বেতন পান ১৭৬০০ টাকা। বেতনহীন ভাবে কর্মরত কর্মচারীদের বেতন বন্ধ কেন জানতে চাইলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক(চ:দা:) মোঃ আনোয়ারুল কাদির বলেন, তাদের নিয়োগের বৈধতার ব্যাপারে অডিট আপত্তি রয়েছে বিধায় তাদের বেতন বন্ধ রয়েছে৷জেলা ইফা এর তথ্য বাতায়ন আপগ্রেড করা হয় না কেন এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি লাখোকন্ঠকে বলেন, জনবল সংকটের কারণে তথ্য বাতায়ন নিয়মিত আপগ্রেড করা সম্ভব হচ্ছে না। জেলার মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রের নামের তালিকা ও কেন্দ্র শিক্ষকদের নাম ও কেন্দ্রের অবস্থানসহ ইফার বিবিধ সেবার বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে বলেন,কিছু কেন্দ্রের শিক্ষক বাচাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে,আগামী বছরের জানুয়ারীতে কেন্দ্রের তালিকা নিতে পারবেন। বর্তমানে জেলা কার্য়ালয়ে এসব কেন্দ্রের তালিকা সংরক্ষিত আছে কি না জানতে চাইলে এবং সংরক্ষিত তথ্যসমূহ তথ্য বাতায়নে আপগ্রেড না করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনবল সংকটের কারনে জেলা কার্যালয়ে সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকলেও বাতায়নে আপগ্রেড করা যাচ্ছে না! তবে শীঘ্রই আমরা চেষ্টা করবো তথ্য বাতায়নে তথ্যগোলো প্রকাশ করার। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক, ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি আশা করি শীঘ্রই এর সমাধান হবে, এবং তথ্য বাতায়ন আপগ্রেড কেন করা হচ্ছে না সে ব্যাপারে জেলা কর্মকর্তার সাথে আমি কথা বলবো। ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপ-সচিব এ কে এম শরীফুল হক বলেন, জনবল সংকট নিরসনের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে জনবল বাড়ানোর চেষ্টা প্রক্রিয়াধীন আছে। তথ্য বাতায়ন আপগ্রেড কেন করা হচ্ছে না বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।