Logo
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে হৈরোল ফাউন্ডেশনের গুণীজন সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন কাবিনের জমিতে গড়া শিক্ষালয়: ত্যাগের মহিমায় বিদায় নিলেন প্রধান শিক্ষক পারভীন সুলতানা র‌্যাব-৯-এর বিশেষ অভিযানে কমলগঞ্জে এয়ারগান ও গুলি উদ্ধার কমলগঞ্জে বেপরোয়া পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় নিহত বৃদ্ধা শীতের তীব্রতায় অসহায়দের পাশে পুনাক মৌলভীবাজারে ৮০ জনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ মনোনয়ন বাছাইয়ে মৌলভীবাজারে চার আসনে টিকে রইলেন ২৬ প্রার্থী স্মৃতির টানে একত্রিত প্রাক্তনরা, আহমদ ইকবাল মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলনমেলা গভীর রাতে শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল পৌঁছে দিলেন ইউএনও আদমপুর ইউনাইটেড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পৌষের শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মৌলভীবাজারের ৯২ বাগানের চা শ্রমিক কমলগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল মনিপুরী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে তারুণ্যের নবযাত্রা: কমলগঞ্জে লৈশেমপুং ও ইউনেস্কোর বিশেষ আয়োজন কমলগঞ্জে ‘হৈরোল ফাউন্ডেশন’ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন কমলগঞ্জে “পাঙাল সাহিত্য” সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠিত  শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জের ১১৩ গির্জায় উৎসবমুখর ও ভাবগাম্ভীর্যে বড়দিন পালিত তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কমলগঞ্জে বিএনপির স্বাগত মিছিল কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সভা ও কমিটি গঠন সীমান্তবর্তী এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিলো ৪৬ বিজিবি হাবিবুন নেছা চৌধুরী গার্লস একাডেমির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নারী-শিশু সুরক্ষা ও সামাজিক অপরাধ দমনে মাধবপুরে বিট পুলিশিং সভা

কমলগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সরকারি কর্মচারীদের বসবাস

রিপোটার : / ২৮৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য পাকিস্তান আমল ও ১৯৮০ দশকে তৈরী করা ৪টি আবাসিক ভবন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ২টি ভবন বেশি ঝুকিপূর্ণ থাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ভবনগুলো। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জরাজীর্ণ এইসব ভবনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বসবাস করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবার। আবাসন ভবন ঝুকিপূর্ণ থাকায় অনেক কর্মকর্তারা পরিবার নিয়ে বাইরে ভাড়া বাসায় থাকেন। আবার অনেক কর্মকর্তারা আবাসন ভবন বসবাসের অযোগ্য থাকায় পরিবার গ্রামের বাড়িতে রেখে ব্যাচেলার ম্যাচে থাকেন। এসব ভবনগুলো অপসারণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে সচেতন মহলের আশংকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনটি ১৯৬৪ সালে নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে ভবনটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। কোয়াটারের উপরে একসাথে দুই-তিনজন হাঁটাচলা করলে সারা ভবন কেঁপে ওঠে। উপজেলা পরিষদের ভিতরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে একাধিক আবসিক ভবন। দেয়ালের মাঝে একাধিক ফাটল রয়েছে। অল্প বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে ভিতরে পানি পড়ে। কোয়াটারগুলোর ছাদের ঢালাই ভেঙে রড বের হয়েছে। দরজা, জানালা সমুহ ভেঙ্গে গেছে। ভবনগুলোর পলেস্তারা খসে পড়ছে। বনবিথি, গেজেটেড কোয়াটার, কৃষ্ণকলী, কনকচাঁপা, কামিনী, ক্যামেলিয়া কোয়াটারগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুকিপূর্ণ। এছাড়াও জরাজীর্ণ ভবনগুলোর পাশে ময়লা আবর্জনা স্তূপ জমে উঠেছে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরও পরিবার-পরিজন নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী বসবাস করছেন এসব ভবনে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪ সালে উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য বনবিথি, গেজেটেড কোয়াটার, কৃষ্ণকলী, কনকচাঁপা, কামিনী, ক্যামেলিয়া কোয়াটারসহ ৫টি ভবন নির্মাণ করা হয়।

উপজেলা এলজিডি অফিসের অফিস সহায়ক মো. শহীদ উল্লাহ বলেন, ফ্লাড সেন্টারে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। আমাদের কোয়াটারে গ্যাস ও পানি নেই। তিনি আরও বলেন, আমাদেরকে কোয়াটার দিলে আমরা ভাড়া করে থাকবো। জরাজীর্ণ ঘরে সারাক্ষণ ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছি।

গেজেটেড কোয়ার্টারের বাসিন্দা উপজেলা এলজিইডি উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব ও উপজেলা বিআরডিবি প্রকল্প কর্মকর্তা (পজিপ) মোর্শেদা খানাম বলেন, বৃষ্টি দিলে ছাদ থেকে পানি পড়ে, দেওয়ালের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দিয়েছে। ভিতরের অবস্থা এতটাই করুণ যা বলার ভাষা রাখেনা।

পুরাতন কোয়াটারের বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কোয়াটার সবচেয়ে ঝুঁকি পূর্ণ থাকায় আপাতত এটি নতুন করে করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, ভবনগুলো পর্যায়ক্রমে টেন্ডারের মাধ্যমে ভেঙ্গে নতুন করে করতে হবে। এগুলো মেরামত করলে হবেনা। আমি থাকা অবস্থায় ভবনগুলো করে যাবো বলে আশা করছি। আমার বাসভবনটি ১৯৬৪ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল, বর্তমানে এটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।

কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান বলেন, উপজেলা পরিষদের বড় ধরনের কাজগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে করা হয়। আমরা উপজেলা পরিষদ থেকে সর্বোচ্চ সাত লক্ষ টাকার কাজ করাতে পারি। এছাড়াও সরকার থেকে কিছু ভবন পরিত্যক্ত করা হয়েছে।

Share this:


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!