Logo
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে বরই চাষে মডেল আজাদুর রহমান, বদলে দিচ্ছেন এলাকার কৃষিচিত্র শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণে এগিয়ে এলো কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব কমলগঞ্জ–শ্রীমঙ্গল সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের কমলগঞ্জে কোয়াব কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শীতের রাতে উষ্ণতার ছোঁয়া: আলিনগর চা বাগানে শ্রমিকদের মাঝে কম্বল বিতরণ এক যুগ পূর্তিতে মানবতার হাতছানি শমশেরনগর সার্বজনীন মহাশ্মশানঘাটে শীতবস্ত্র বিতরন গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময় পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি কি ? শতাব্দী পেরিয়ে ঐতিহ্যের ধারা—পৌষ সংক্রান্তিতে কমলগঞ্জে ১১৬তম ‘নিমাই সন্ন্যাস’ উৎসব অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে হিফজ সমাপ্তকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠান পৌষসংক্রান্তি ঘিরে কমলগঞ্জে জমজমাট ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে সিলেটের স্বাদ-ঐতিহ্য চুঙ্গাপুড়া পিঠা কমলগঞ্জে মনিপুরীদের ১১৬তম শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী ‘নিমাই সন্ন্যাস’ উৎসব বুধবার কমলগঞ্জে হৈরোল ফাউন্ডেশনের গুণীজন সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন কাবিনের জমিতে গড়া শিক্ষালয়: ত্যাগের মহিমায় বিদায় নিলেন প্রধান শিক্ষক পারভীন সুলতানা র‌্যাব-৯-এর বিশেষ অভিযানে কমলগঞ্জে এয়ারগান ও গুলি উদ্ধার কমলগঞ্জে বেপরোয়া পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় নিহত বৃদ্ধা শীতের তীব্রতায় অসহায়দের পাশে পুনাক মৌলভীবাজারে ৮০ জনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ মনোনয়ন বাছাইয়ে মৌলভীবাজারে চার আসনে টিকে রইলেন ২৬ প্রার্থী স্মৃতির টানে একত্রিত প্রাক্তনরা, আহমদ ইকবাল মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলনমেলা

আজ বড়লেখা হানাদার মুক্ত দিবস

রিপোটার : / ৬৫১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। আজ ৬ ডিসেম্বর, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে নাকাল পাকহানাদার বড়লেখা ছাড়তে বাধ্য হয়। ওইদিন ভোরে বড়লেখা সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত হলে বর্তমান উপজেলা পরিষদের সামনে এক বিজয় সমাবেশ করা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হলেও ওইদিন বড়লেখায় উদিত হয় লাল সবুজের পতাকা।

এদিকে দিবসটি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও বড়লেখা প্রেসক্লাব যৌথভাবে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। 

জানা গেছে, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বড়লেখাবাসী জেগে উঠেছিল রণহুঙ্কারে। ৩২৫টি গ্রাম যেনো প্রতিরোধের এক একটি বিশাল দূর্গে পরিণত হয়। বড়লেখা থানাটি ৪ নম্বর সেক্টরের আওতাভুক্ত ছিল। মেজর সি.আর দত্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন। এ সেক্টরের সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয় ভারতের করিমগঞ্জে প্রয়াত এমপি দেওয়ান ফরিদ গাজীর নেতৃত্বে। বড়লেখা থানার পার্শ্ববতী বারপুঞ্জি ও কুকিরতলে সাব-সেক্টর স্থাপন করা হয়। হানাদারদের বিরুদ্ধে অসংখ্য ছোট বড় আক্রমণ চালিয়েছে এ সাব সেক্টরের মুক্তি সেনারা।

মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই বড়লেখার বিভিন্ন স্থানে প্রতিরোধ গড়ে তোলে সংগ্রামী মানুষ। অবিশ্বাস্য দ্রুততায় তাঁরা নেমে পড়েন শত্রুর মোকাবেলায়। ৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে নাকাল পাক হানাদার বড়লেখা ছেড়ে পালায়। ভোরে বড়লেখা সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত হয়। পরে বর্তমান উপজেলা পরিষদের সামনে এক বিজয় সমাবেশ ওড়ানো হয় লাল সবুজের পতাকা।

মুক্তিযোদ্ধারা বড়লেখা উপজেলার লাতু, সারোপার, শাহবাজপুর, ধামাই চা বাগান, হাকালুকি পারের কয়েকটি গ্রাম, বোরাথল, মাইজগ্রাম, ডিমাই, কেছরিগুল, কাঁঠালতলী, মাধবকুন্ড, দশঘরিতে অপারেশন চালিয়েছেন।

বড়লেখা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার মুহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বড়লেখা সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব রাজাকার, আলবদর অনেক বাড়ি-ঘর জ্বালিয়েছে, অনেক মা-বোনের সম্ভ্রমহানী ও নর-নারীকে হত্যা করেছে, তাদের অনেকের বিচার ইতিমধ্যে হয়েছে। অন্যদেরও বিচার বাংলার মাটিতেই হবে। তিনি জানান, কুলাউড়া, বিয়ানীবাজারের চেয়েও বড়লেখায় বেশি নারী নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড হয়েছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!