Logo
Headline :
ভানুগাছ রেলপথে দুর্ঘটনা: ট্রেন থেকে পড়ে প্রাণ গেল জুবায়েরের কমলগঞ্জে চকলেটের প্রলোভনে ধর্ষিত হল ৪ বছরের শিশু আজ থেকে কমলগঞ্জে ১০০ হাতের দুর্গা পূজা শুরু বিএমইটির বৃত্তি পেল কমলগঞ্জের মনিপুরী মুসলিম শিক্ষার্থীরা কমলগঞ্জে ৪২ বছর পর মনসা দেবীর নৌকা পূজা, ভক্তদের ঢল; কমলগঞ্জে রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রী মনসা দেবীর নৌকা পূজা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঈদে হাসি ফুটালেন এমপি হাজী মুজিব কমলগঞ্জের ৯ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ করলেন এমপি হাজ্বী মুজিব রাতে সস্তা হোটেল, দিনে অপরাধ—কমলগঞ্জে অপহরণচেষ্টার ঘটনায় ধরা পড়ল চক্র কমলগঞ্জে দুষ্কৃতিকারীদের আগুনে গরুর ঘর ও ধানের গোলা পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৫ লাখ

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাইয়ে ১০ শতাংশ কোটা বাতিল

Reporter Name / ৩২৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।  তালিকা থেকে বাদ পড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটে অন্তর্ভুক্তিতে যাচাইবাছাইয়ের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ কোটা বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মু. মাহবুব উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ  এ রায় ঘোষণা করেন। 

রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার তৌফিক ইনাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রায়ে হাইকোর্ট গেজেট অন্তর্ভুক্ত হয়নি এমন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটভুক্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যার ১০ শতাংশের বেশি তালিকাভুক্ত না করা সংক্রান্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) বিধান/পরিপত্রটি বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন।

২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) ঐ পরিপত্রটি জারি করে। ওই পরিপত্রে বলা হয় যে প্রত্যেক উপজেলায় গেজেট অন্তর্ভুক্ত হয়নি এমন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটভুক্তির জন্য বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় ভাতা-ভোগী সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যার ১০ শতাংশের বেশি তালিকাভুক্ত করা যাবে না।

আইনজীবী বলেন, অথচ ২০১৭ সালে উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ‘ক’ তালিকা প্রস্তুত করা হয় এবং ওই তালিকাতে রিট আবেদনকারীরা তালিকাভুক্ত হন। কিন্তু আলোচ্য সিদ্ধান্তটির ফলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা অনেকেই বাদ পড়ে যান। সে কারণেই ১০ শতাংশ সংক্রান্ত ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাভার সদর, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলাসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার ‘ক’ তালিকাভুক্ত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা হাইকোর্টে ২০২০ সালে রিট আবেদন দায়ের করেন। হাইকোর্ট ওই বছরই জামুকার পরিপত্রটি অর্থাৎ বিধানটি কেন বাতিল করা হবে না মর্মে জানতে চেয়ে জামুকা ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন।

ব্যারিস্টার তৌফিক ইনাম বলেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা শুধু বেআইনিই নয় অসাংবিধানিকও। কারণ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ১০ শতাংশের কম বা বেশিও হতে পারে। একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকেও তালিকার বাইরে রাখা যেমন বেআইনি, একইভাবে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয় এমন একজনকেও তালিকাভুক্ত করা বেআইনি। কিন্তু এধরনের পরিপত্র জারি করার মাধ্যমে জামুকা যাচাই-বাছাই কমিটিকে একটি ফ্রি লাইসেন্স দিয়েছে। তারা তাদের সুবিধা ও সন্তুষ্টি অনুসারে শুধুমাত্র ১০ শতাংশ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেটভুক্ত করার জন্য সুপারিশ করতে পারবে। কিন্তু এই সংখ্যা এলাকাভেদে অনেক বেশি আবার কোথাও কমও হতে পারে। তাই এ ধরনের সংখ্যা নির্ধারণ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ও সংবিধান সমর্থন করে না। 

রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ ১০ শতাংশ সংক্রান্ত ঐ পরিপত্রটি বেআইনি ও অসাংবিধানিক মর্মে ঘোষণা করে রায় দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!