Logo

মুনিম সিদ্দিকী‘র বাগান বাড়ীতে ৭ ফুট লম্বা কলার ছড়ি

Reporter Name / ২২০ Time View
Update : বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৪

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। কমলগঞ্জের সৌখিন কৃষিবিদ মুনিম সিদ্দীকি তার বাগান বাড়িতে এবার বাংলাদেশে বিরল প্রজাতির থাউজেন্ডস ফিঙ্গার ব্যানানার চাষ করে আবারও সারা জেলায় আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছেন । এর আগে তিনি তার বাগানে রেড ব্যানানা ও ড্রাগন ফলের চাষ করে সারা জেলায় একজন সফল কৃষিবিদ হিসাবে প্রসংশা কুঁড়িয়েছেন ।

কমলগঞ্জ উপজেলার আলিনগর ইউনিয়নের তার গ্রামের বাড়ীতে প্রতিষ্টিত সিদ্দীকাবাদ ফ্রুটস ভেলীতে কলাগাছের মাথা থেকে বের হওয়া ছড়ি নিচের দিকে নামতে নামতে প্রায় মাটির সঙ্গে ঠেকে গেছে। সাত ফুট লম্বা এই ছড়ির কলা ধরেছে প্রায় হাজারের বেশি। এমন কলা গাছ দেখতে প্রতিদিনই উৎসুক জনতা ভিড় করছেন তার বাগান বাড়ীতে ।

কৃষিবিদরা বলছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাউজেন্ডস ফিঙ্গার ব্যানানা নামে পরিচিত সবচেয়ে লম্বা কাঁদির কলা বাংলাদেশে হাজারি কলা নামে পরিচিত । মানুষ শখের বসে চাষ করেন এটি। এ প্রজাতির কলার আদি নিবাস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায়। এ ধরনের কলা গাছে একেকটি কাঁদি ছয় থেকে ১০ ফুট লম্বা হয়। কাঁদির ওপরের অংশের কলা বড় হলেও নিচের অংশের কলা ছোট থেকে যায়। এ ধরনের কাঁদি গাছের সৌন্দর্য অনেক বাড়িয়ে দেয়।

সৌখিন কৃষিবিদ মুনিম সিদ্দীকি জানান, তিনি শখের বসে ফিলিপাইন থেকে এই প্রজাতির কলা গাছ সংগ্রহ করে তার বাগান বাড়ীতে লাগিয়েছিলেন । তার লাগানো গাছগুলোর মধ্যে দুইটা কলা গাছে ইতিমধ্যে ফল ধরেছে। একেকটি কাঁদিতে হাজারের ওপর কলা ধরেছে। যারা দেখতে আসেন তাদের মধ্যে আগ্রহী অনেকেই তার কাছ থেকে চারা সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, এ প্রজাতি কলাকে বিদেশে থাউজেন্ডস ফিঙ্গার ব্যানানা বলে। আমাদের দেশে খুবই বিরল এই কলা। এই কলা আকারে অনেক ছোট হলেও কাদিতে কয়েক হাজার হয়।

মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ হাজারি কলা হিসেবে এটি পরিচিত। কেউ চাইলে এই কলা খেতে পারবে। আবার কেউ বাড়ির সাজসজ্জার জন্য লাগিয়ে থাকেন। সঠিক পদ্ধতিতে এই কলা পরিচর্যা করলে ছড়ির আকার বড় হতে পারে।


ধর্ম
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!