Logo
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জ–শ্রীমঙ্গল সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের কমলগঞ্জে কোয়াব কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শীতের রাতে উষ্ণতার ছোঁয়া: আলিনগর চা বাগানে শ্রমিকদের মাঝে কম্বল বিতরণ এক যুগ পূর্তিতে মানবতার হাতছানি শমশেরনগর সার্বজনীন মহাশ্মশানঘাটে শীতবস্ত্র বিতরন গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময় পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি কি ? শতাব্দী পেরিয়ে ঐতিহ্যের ধারা—পৌষ সংক্রান্তিতে কমলগঞ্জে ১১৬তম ‘নিমাই সন্ন্যাস’ উৎসব অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে হিফজ সমাপ্তকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠান পৌষসংক্রান্তি ঘিরে কমলগঞ্জে জমজমাট ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে সিলেটের স্বাদ-ঐতিহ্য চুঙ্গাপুড়া পিঠা কমলগঞ্জে মনিপুরীদের ১১৬তম শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী ‘নিমাই সন্ন্যাস’ উৎসব বুধবার কমলগঞ্জে হৈরোল ফাউন্ডেশনের গুণীজন সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন কাবিনের জমিতে গড়া শিক্ষালয়: ত্যাগের মহিমায় বিদায় নিলেন প্রধান শিক্ষক পারভীন সুলতানা র‌্যাব-৯-এর বিশেষ অভিযানে কমলগঞ্জে এয়ারগান ও গুলি উদ্ধার কমলগঞ্জে বেপরোয়া পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় নিহত বৃদ্ধা শীতের তীব্রতায় অসহায়দের পাশে পুনাক মৌলভীবাজারে ৮০ জনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ মনোনয়ন বাছাইয়ে মৌলভীবাজারে চার আসনে টিকে রইলেন ২৬ প্রার্থী স্মৃতির টানে একত্রিত প্রাক্তনরা, আহমদ ইকবাল মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলনমেলা গভীর রাতে শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল পৌঁছে দিলেন ইউএনও আদমপুর ইউনাইটেড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

চাপাতার ভর্তা আর আটার রুটিতে বাঁধা চা শ্রমিকদের জীবন

রিপোটার : / ৬৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।

চাপাতার ভর্তা ও আটার রুটি খেয়ে চা শ্রমিকের দিন চলে। এই কথাটি যেন মৌলভীবাজারের চা বাগান এলাকার শ্রমজীবী মানুষের জীবনের নির্মম বাস্তবতা। এখনো অগণিত চা শ্রমিক প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিশ্রম করেও মৌলিক চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে।

গত ২৫ জুলাই কমলগঞ্জ উপজেলার পদ্মছড়া চা বাগানে গিয়ে দুপুর ২টায় দেখা যায়, নারী শ্রমিকরা সারি বেধে বসে চা পাতা ওজন করে গাড়িতে তোলার জন্য অপেক্ষা করছে। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৪টা পর্যন্ত তারা চা পাতা তোলার কাজে ব্যস্ত ছিল।

শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই সকালবেলা অল্প খাবার খেয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বের হন। কেউ কেউ সাথে নিয়ে যান চালভাজা, পান্তা ভাত, রুটি বা মুড়ি—সাথে থাকে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, রসুন ও লবণ। এসব উপকরণ দিয়ে তাঁরা তৈরি করেন বিশেষ এক ধরনের চা পাতার ভর্তা, স্থানীয়ভাবে যাকে বলা হয় “পাতিচখা”। এটিই তাদের মধ্যাহ্নভোজের মূল ভরসা।

চা শ্রমিকরা জানান, প্রতি সপ্তাহে সোমবার থেকে শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। এর বাইরে সংসারের কাজ সামলাতেও হিমশিম খেতে হয় নারীদের।

চা বাগানের জীবন যেমন কঠিন, তেমনি তাদের আয়ও খুব সীমিত। মৌলভীবাজারে রয়েছে ৯২টি চা বাগান, এর মধ্যে মাধবপুর ও পদ্মছড়া বাগানের চিত্রও ভিন্ন নয়। নারী শ্রমিকরা জানান, মজুরি বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় জীবনযাত্রায় তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, প্রশাসন থেকে চা শ্রমিকদের সবসময় সহযোগিতা করা হয়। অসুস্থতা বা অন্যান্য সমস্যায় পড়লে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই। তবে তাদের জীবনমান আরও উন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন।

সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে চা শ্রমিকদের জন্য কিছু প্রকল্প থাকলেও সেগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আবাসন ও নিরাপত্তার মতো মৌলিক অধিকার এখনো অনেকাংশে অধরাই রয়ে গেছে এই পরিশ্রমী জনগোষ্ঠীর জন্য।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!