সিলেট বিভাগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রার্থী ছিলেন প্রীতম দাশ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসন থেকে লড়েছেন তিনি। আসনটিতে মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৮৮৮ জন। এনসিপি প্রার্থীর ভরাডুবি হয়েছে। তিনি সর্বসাকুল্যে ভোট পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৫৬৩টি।
অর্থাৎ মোট ভোটারের বিপরীতে শূন্য দশমিক ৯৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন তিনি। এই আসন থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট।
মৌলভীবাজারের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৯৬ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্রে বলা আছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। এই পরিপত্র অনুযায়ী, মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রীতম দাস পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৫৬৩ ভোট, যা মোট বৈধ ভোটের মাত্র ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ফলে বাজেয়াপ্ত হবে তার জামানত।
শুধু এনসিপি প্রার্থীই নয়, এ আসনে আরও দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল মনোনীত আবুল হাসান (মই প্রতীক), ৯৮১ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত জরিপ হোসেন (লাঙ্গল প্রতীক), ৯২৪ ভোট।