Logo
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জের ৯ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ করলেন এমপি হাজ্বী মুজিব রাতে সস্তা হোটেল, দিনে অপরাধ—কমলগঞ্জে অপহরণচেষ্টার ঘটনায় ধরা পড়ল চক্র কমলগঞ্জে দুষ্কৃতিকারীদের আগুনে গরুর ঘর ও ধানের গোলা পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৫ লাখ কমলগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালন, ভূমিকম্প উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া রমজান উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে দেড় সহস্রাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কমলগঞ্জে নারী অপহরণচেষ্টা, ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে পুলিশকে কঠোর নির্দেশ এমপি হাজি মুজিবের কমলগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে ওয়াইসিজি’র সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন কমলগঞ্জে প্রাইভেট কারে তুলে অপহরণের চেষ্টা, সাহসিকতায় রক্ষা পেলেন নারী লিটারে কম পেট্রোল বিক্রি: কমলগঞ্জে চার প্রতিষ্ঠানকে ৩৯ হাজার টাকা জরিমানা কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন, রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ শ্রীমঙ্গলে রঙের হাঁড়ি ভেঙে দোল উৎসবের উদ্বোধন, হাজারো ভক্তের মিলনমেলা কমলগঞ্জে ছাত্র অধিকার পরিষদের ৬ মাসের আংশিক কমিটি অনুমোদন রঙে-ভক্তিতে মুখর শ্রীশ্রী বিষ্ণুপদ ধাম, যোগ দিলেন চীনা নাগরিকরা শ্রীমঙ্গলে শ্রীশ্রী জগদ্বন্ধু আশ্রম পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ ঝুমুর নাচে, আবিরের ছোঁয়ায় আলীনগরে ফাগুয়ার উচ্ছ্বাস ভাতার কার্ডের আশায় চার বছর, সমাজসেবা কার্যালয়ে শুধু প্রতিশ্রুতি সম্মাননা ও ইফতারে প্রাণবন্ত কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে আত্মনির্ভরতার পথে ৩০ নারী এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে ভুরভুরিয়া ছড়ায় পরিষ্কার অভিযান কমলগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ১০৩ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

এবার অতীতের রেকর্ড ভেঙে চা উৎপাদনের সম্ভাবনা

রিপোটার : / ৫৮২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।

অনুকূল আবহাওয়া ও মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময়েও চা বাগানগুলোতে শ্রমিকরা কঠোর পরিশ্রম করে উৎপাদনের ধারা বজায় রেখেছেন। নানা প্রতিবন্ধকতা ও সমস্যার বেড়াজাল ছিন্ন করে শ্রমিকরা তাদের শ্রমকে সার্থক করে তুলেছেন। এবার ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।



২০১৬ সালে দেশে চা-উৎপাদনের রেকর্ড ভেঙে ২০১৯ সালে ৯ কোটি কেজি চা উৎপাদন হয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়। তবে এবার সেই রেকর্ড ভেঙে দেশে ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদন হয়ে ডিসেম্বর নাগাদ আরেক রেকর্ড সৃষ্টি হওয়ার আশা করা হচ্ছে।


দেশের ১৬৭ টি চা-বাগানের মধ্যে বৃহত্তর সিলেটে ১৩৬ টি চা বাগান রয়েছে। এবার মৌসুমের শেষ দিকেও সিলেটের বাগানগুলোতে চলছে চা-চয়ন এর ধুম। নারী-পুরুষ চা শ্রমিকরা ‘পাতি’ তুলছেন মহাখুশিতে। এবার অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এখনো চা গাছে কুঁড়ি গজাচ্ছে। তাই বাগান সংশ্লিষ্টরা এবার বড় অর্জনের স্বপ্নে বিভোর। চায়ের উৎপাদন ভালো হলেও বাজার মূল্য প্রতি কেজি মাত্র ১৯০-১৮৬ টাকা। এতে বাগান মালিকদের পোষায়না-মন্তব্য করে বাংলাদেশ টি এসোসিয়েশনের নর্থ সিলেট ভ্যালির চেয়ারম্যান নোমান হায়দার চৌধূরী  জানান, সিলেট অঞ্চলে তাদের ২২ টি বাগানেও উৎপাদন ভালো হয়েছে। 


এদিকে  চা বোর্ড সূত্র জানায়, চলতি ২০২১ সালে দেশের ১৬৭টি চা বাগান থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৭৭ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন কেজি। জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চা উৎপাদন হয় ৩৮ দশমিক ৩১ মিলিয়ন কেজি। লক্ষ্যমাত্রার ৫০ ভাগের অনেক বেশী চা উৎপাদন হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০০ মিলিয়ন কেজি চা পাতা উৎপাদন হবে। যা হবে দেশে চা উৎপাদনে নতুন রেকর্ড।  অন্যান্য বছর এমন সময় কুয়াশার কারণে চা পাতা উৎপাদন অনেকটাই হ্রাস পায়। অথবা বৈরী আবহাওয়ার কারণে ‘রেড ষ্পাইডার’ আক্রমণ করে। এবার বাগানগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে অনেকটাই মুক্ত।


সিলেটের হরিপুরস্থ খান বাগানের ব্যবস্থাপক হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘চা একটি সংবেদনশীল কৃষি পণ্য। সুষম আবহাওয়া, সঠিক পরিচর্যার উপর এই কৃষি পণ্যটি বেঁচে আছে। এবার আবহাওয়া বেশ ফেবার করেছে।’  তিনি বলেন, খান বাগানে চা-উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ লাখ ২০ হাজার কেজি। তা বেড়ে ৫ লাখ ৪০ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়। আগের বছর খান বাগানে ৪ লাখ ৬৭ হাজার কেজি উৎপাদন হয়। সূত্র মতে সিলেট, চট্টগ্রাম, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারসহ সারাদেশে ১৬৭টি চা বাগানে  চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সিন্ডিকেটের কারণে নিলামবাজারে চায়ের দাম কমে যাচ্ছে। এতে মালিক পক্ষ বাগান চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চা বিশেষজ্ঞরা জানান, চা নিলাম কেন্দ্রে দেশের বড় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কম দামে চা ক্রয় করে খুচরা বাজারে তারা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। অন্যদিকে চোরাই পথে নিম্নমানের ভারতীয় চা-পাতা দেশীয় পাতার সাথে মিশ্রণ করে বাজারজাত করায় দেশের চা শিল্পের ক্ষতি হচ্ছে।
 
বাংলাদেশ চা সংসদের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেন, গত বছর বৈরী আবহাওয়ার কারণে চায়ের উৎপাদন অনেকটা হ্রাস পেয়েছিল। তবে এবার  আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদন বাড়ছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, বাগানে কঠোরভাবে কোভিড প্রটোকল নিশ্চিতকরণ, চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, রেশন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের ফলে এবার চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে, ‘১০০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হবে, বলেন  কর্মকর্তারা।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!