Logo
সংবাদ শিরোনাম :
শমশেরনগর হাসপাতালে দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আল্পনার সাত রঙে সেজেছে বিটিআরআই সড়ক কমলগঞ্জে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিনে যুবদলের দোয়া মাহফিল সিলেটের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে কমলগঞ্জে বেলা’র প্রচারাভিযান ‘সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত কমলগঞ্জ থানা পরিদর্শন করেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মাধবপুর চা বাগান থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সাংবাদিক তুহিন হত্যা‘র প্রতিবাদে কমলগঞ্জে মানব বন্ধন কমলগঞ্জে গলাকেটে ছাত্রদল নেতাকে হত্যা তীরের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা কমলগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবসে আলোচনা সভা কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত । কমলগঞ্জ উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ গঠন দারিদ্রতার বেড়াজালে বন্দী অনন্যার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন কমলগঞ্জে যুবতীর আত্মহত্যা সীমাহীন ভোগান্তিতে টমেটো গ্রাম বনগাঁও এর কৃষকরা চিরনিদ্রায় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) সাজ্জাদুর রহমান চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ বাড়িতে গিয়ে জন্ম সনদ ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান

পরীক্ষা শেষে হাতির পিঠে চড়ে বাড়ী ফেরা !

রিপোটার : / ১৩৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।

ভাগনী-ভাগিনার বার্ষিক পরীক্ষার শেষ দিন আজ। এই কথা শোনার পর আনন্দে হাতি নিয়ে স্কুলে হাজির হয়েছেন মামা। স্কুলের আঙ্গিনায় হাতির পিঠে উঠে আনন্দ উপভোগ করেন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা। বাড়তি আনন্দ উপভোগ করতে থাকেন একে একে সবাই। বুধবার ৬ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আম্বিয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুলে দেখা যায় এমন চিত্র। প্রায় সময় উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় হাতি নিয়ে ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষকে আনন্দ দেন হাতির মালিক সালমান।

হাতির মালিক সালমান বলেন, আমাদের দুটি হাতি। প্রায় সময় আমি ও মাহুত এভাবে ঘুরে ঘুরে সবাইকে আনন্দ দেই। তবে কারো থেকে আমরা টাকা নেই না। কমলগঞ্জ পৌর এলাকায় প্রতিষ্ঠিত আম্বিয়া কিন্ডার গার্টেনে আমার ভাগনী-ভাগিনা পড়াশোনা করে। তাদের বার্ষিক পরীক্ষার শেষ দিন ছিল বুধবার। সেই খবর জেনে আমি মাহুতের সহযোগীতায় হাতি নিয়ে সেখানে যাই। ছোট ছোট বাচ্চারা স্কুলের বাইরে বের হয়। তখন তাদেরকে হাতির মাধ্যমে বিভিন্ন অঙ্গ ভঙ্গি দেখিয়ে আনন্দ দেই। পরে আমার ছোট ভাগনী ও ভাগিনাকে হাতির উপরে বসিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসি। আসার পথে শত শত মানুষ হাতি ও আমাদের ছবি তোলে। তিনি আরও বলেন, আমরা হাতিকে বিভিন্ন জায়গায় সার্কাস ও গাছ টানার কাজে ব্যবহার করে থাকি।

অভিভাবকরা জানান, খুব ভালো লাগছে। শেষ পরীক্ষায় এ আনন্দটা আমাদের বাচ্চাদের দেওয়ার জন্য।

আম্বিয়া কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আসলে এখন হাতির সংখ্যা খুব কম। এক সময় হয়তো বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আমাদের স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষার শেষ দিন ছিল বুধবার। প্রায় সময় দেখি শখের বসে হাতির মালিক ঘুরে ঘুরে সাধারন মানুষদের আনন্দ দিয়ে থাকেন। তার ভাগনী ও ভাগিনা আমাদের স্কুলে পড়াশোনা করে। পরীক্ষা শেষের খবর শুনে তিনি হাতি নিয়ে আমাদের স্কুলে হাজির হন। তখন আমাদের বাচ্চারা বাড়তি আনন্দ উপভোগ করে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!