Logo
সংবাদ শিরোনাম :
ভানুগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত রাজকান্দি রিজার্ভ ফরেস্টে কাটা হচ্ছে টিলা ও গাছ সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আব্দুর ববের শুভেচ্ছা বিনিময় কমলগঞ্জে ৭৫০ দৌড়বিদের অংশগ্রহণে আলট্রা ম্যারাথন গোকুলানন্দ গীতিস্বামী‘র ১২৯ তম জন্মবার্ষিকীতে আলোচনা সভা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে টিউবওয়েল বিতরণ কমলগঞ্জে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত নান্না বিআরডিবি’র সভাপতি নির্বাচিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ক্রমশ প্রাণী শুন্য হচ্ছে চা-পাতা ভর্তা আটার রুটি খেয়েই চলে চা শ্রমিকের দিন খাসিয়া জনগোষ্ঠীর বর্ষবিদায় অনুষ্ঠান ‘সেং কুটস্নেম’ উদযাপন মুন্সিবাজার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে ময়লার স্তুপ ! বন্যপ্রাণীর হাত থেকে ফসল রক্ষায় রাত জেগে পাহারা জীবন ও জীবিকাঃ বংশীবাদক কৃষ্ণের সুরের মূর্ছনা সাংবাদিকদের সাথে বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান প্রার্থী ময়নুল ইসলামের মত বিনিময় সাংবাদিকদের সাথে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাজী মুজিবের শুভেচ্ছা বিনিময় সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টার মৃত্যুতে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের শোক প্রকাশ জাতীয় সংহতি দিবসে বিএনপির আলোচনা সভা শেষ হলো ঐতিব্যবাহী মণিপুরি মহারাসলীলা উৎসব কমলগঞ্জে সম্পন্ন হলো চা শ্রমিকদের ২৫ তম কাত্যায়ানী পূজা

অসহায় বিধবা দুই নারীর সাহায্যে এগিয়ে এলো প্রশাসন

রিপোটার : / ৮০২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। দিন-মজুর স্বামী মো. রাজা মিয়া ১১ বছর আগে মারা গেছেন। তার দুই বিধবা স্ত্রীর তিন ছেলে দুই মেয়ে। মৃত রাজা মিয়ার বড় স্ত্রী জাহানারা বেগম সেলাই মেশিনে কাজ করেন ও ছোট স্ত্রী হালিমা বেগম গৃহিণী। তাদের সব সন্তানই বেকার। সেলাই মেশিনে এলাকার মানুষের কাপড় তৈরি করেই সংসার চলছে কোনো রকমে। 

স্বামীর রেখে যাওয়া মাটির দেয়ালের জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করে আসছিলেন এই দুই বিধবা নারী। তাদের জীবন চলে পাড়া-প্রতিবেশিদের কাছে হাত পেতে নেয়া চাল-ডালে। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে আকস্মিকভাবে মাটির দেয়ালের বাড়িটি ধসে পড়ে। ফলে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন অসহায় দুই নারী।

ঘটনাটি ঘটেছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌর এলাকার বড়গাছ গ্রামে। এ খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য সামগ্রী নিয়ে এগিয়ে আসেন এই অসহায় পরিবারের পাশে।

আলাপকালে দুই বিধবা নারী বলেন, দিনমজুর স্বামী ১১ বছর আগে মারা গেছেন। কিন্তু তারা হতদরিদ্র। এমতাবস্থায় পাড়া-প্রতিবেশিদের কাছে হাত পেতে নেয়া চাল-ডাল খেয়ে না খেয়ে জীবন চলে তাদের। আর সরকারের দেয়া বিধবা ভাতার টাকায় চলে তাদের ওষুধ খরচ। স্বামীর রেখে যাওয়া মাটির দেয়ালের জরাজীর্ণ বাড়িটিই ছিল তাদের মাথা গোঁজার ঠাই।

বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ করে মাটির বাড়িটির দেয়াল ধসে পড়ে। বরাবরের মতো ধসে পড়ার দিনেও তারা ওই বাড়িতেই শুয়েছিলেন। ধসে পড়া মাটির ঘরে কিভাবে থাকবেন জানেন না তারা। একটি ঘরের জন্য অনেকবার আবেদন করেও কপালে তা জুটেনি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটা বসবাস উপযোগী ঘরের দাবী তাদের।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জামাল হোসেন বলেন, আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ঘর দেখে এসেছি। তাদের ঘরের জন্য অনেকবার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসে আবেদন করিয়েছি।

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জুয়েল আহমেদ বলেন, ‘বিধবা নারীদের দেয়াল ভাঙা ঘর পরিদর্শন করে এসেছি। সরকারিভাবে যাতে তারা ঘর পায় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, খবরটি শুনে মানবিক কারণে থানার পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা নিয়ে তিনি সে বাড়িতে গেছেন। এ পরিবারের জন্য পরবর্তী সহায়তা নিয়ে তিনি উপজেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলবেন।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!