Logo

ভারতে সাজা খেটে ফিরল ৪২ বাংলাদেশি, ৩০ বছর পর বাবা-ছেলের মিলন

Reporter Name / ৮৩৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০

কমলকন্ঠ রিপোর্ট।।

মৌলভীবাজারের বড়লেখার দুই যুবকসহ ৪২ বাংলাদেশি ভারতের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে (কারাগার) সাজা ভোগের পর দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন বয়সী নারী, পুরুষ ও শিশু। যাদের সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বছরের পর বছর ভারতের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ছিলেন।

৩০ বছর পর ছেলের সঙ্গে দেশে প্রত্যাবর্তনকারী বাবার দেখা হলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সোমবার বিকালে বিয়ানীবাজারের শেওলা সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ও ভারতীয় সীমান্ত পুলিশ তাদের বিজিবি ও ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।

আসামের গোয়াহাটির বাংলাদেশ দূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার তানভীর মনসুর রনি ও মৌলভীবাজারের সমাজকর্মী অমলেন্দু কুমার দাসের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ভারতের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে থাকা এসব বন্দী তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে এসেছেন।

বিয়ানীবাজার বিজিবি ও ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রত্যাবর্তনকারীদের মধ্যে রয়েছেন- পিরোজপুর জেলার চার পরিবারেরই ১৬ জন, বাঘেরহাটের তিনজন, চট্টগ্রামের ছয়জন, মৌলভীবাজার ও সিলেটের সাতজন, দিনাজপুরের একজন, গোপালগঞ্জের একজন, নোয়াখালীর একজন, কুমিল্লার একজনসহ মোট ৪২ জন নারী, পুরুষ ও শিশু।

বিকাল ৪টায় বিএসএফ ও ভারতীয় সীমান্ত পুলিশ বিয়ানীবাজার বিজিবি, থানা পুলিশ ও শেওলা ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে প্রত্যাবর্তনকারী বাংলাদেশিদের হস্তান্তর করেছে।

এ সময় করিমগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মায়াঙ্ক কুমার, বিয়ানীবাজার থানার ওসি কল্লোল রায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও ভারতের কারাগারে সাজাভোগী বাংলাদেশিদের দেশে প্রত্যাবর্তন কাজের সমন্বয়কারী সমাজকর্মী অমলেন্দু কুমার দাস, শেওলা ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্টের ইনচার্জ এসআই আবুল কালাম, বিজিবি বড়গ্রাম ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার জসিম উদ্দিন, বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নয়ন কুমার মল্লিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


More News Of This Category
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!