Logo

জনবল সংকটে ভূগছে কমলগঞ্জের সমাজসেবা অফিস

Reporter Name / ১৭২ Time View
Update : শনিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৩

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।

কমলগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকটের কারণে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ১৪জন লোকবলের জায়গায় এ অফিসে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৬ জন। উপজেলা সমাজসেবা অফিসারসহ গুরুত্বপূর্ণ ৮টি পদ দীর্ঘদিন যাবত শূন্য রয়েছে। এতে চরম ভোড়ান্তির শিকার হচ্ছেন ওই অফিসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেবাপ্রার্থীরা।

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ কার্যক্রমসহ বেশ কয়েকটি কার্যক্রম সম্পাদন করতে হয়। জনবল সংকটের কারণে অনেকটা ধীরগতিতে চলছে এসব কার্যক্রম। এ অফিসে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নেই। কমলগঞ্জ উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সোহেব হোসেন চৌধুরী। সহকারী সমাজসেবা অফিসারের পদটি শূন্য রয়েছে গত কয়েক বছর ধরে। এ ছাড়াও শূন্য রয়েছে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ১টি, ইউনিয়ন সমাজকর্মী ১টি ও কারিগরি প্রশিক্ষক ২টি। মেসেঞ্জার ১টি পদ, নৈশ প্রহরী ১টি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ পদগুলো শূন্য থাকায় প্রতিনিয়ত অফিসের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

জনবল সংকটের কারণে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি কার্যক্রম যথাসময়ে বাস্তবায়ন করতে হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়। বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা,শিক্ষা উপবৃত্তি, ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমসহ সরকারের নানা সেবায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ভাতাভোগী ও ভুক্তভোগীরা।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, সমাজ সেবা অফিসের লোকবল সংকট থাকায় সঠিকভাবে অনেক মানুষের কাজের পরামর্শ পায় না। অফিসে আসলে সময়মত লোকজনকেও পাওয়া যায় না। সমাজসেবা অফিস একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। এখানে বিভিন্ন ভাতার জন্য এলাকার লোকজন আসেন। অফিসে অনেক সময় লোকজন পাওয়া যায়নি বলে তারা অভিযোগ করেন। ফলে এলাকার দরিদ্র ও হত দরিদ্র মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (অ.দা) মো. সোহেব হোসেন চৌধুরী বলেন, জনবল সংকট থাকার কারণে সমাজসেবা অফিসের কার্যক্রম অনেকটা ব্যাহত হচ্ছে। সহকারি সমাজসেবা অফিসারসহ ৮টি পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। ১৪ জন লোকবলের জায়গায় এ অফিসে কাজ করছেন মাত্র ৬জন। এতে যথাসময়ে গ্রাহকদের সেবা দেওয়া অনেক সময় সম্ভব হয় না। ফলে অফিসের কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্মরতদের। তিনি আরো বলেন, শূন্য পদ পূরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সেবাপ্রার্থীদের দ্রুত সেবা দিতে গিয়ে কর্মরতদের অতিরিক্ত কাজ করতে হচ্ছে।

  মৌলভীবাজার জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান লোকবল সংকটের বিষয় সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘শুধু কমলগঞ্জ উপজেলায় লোকবল সংকট নয়। পুরা জেলার সকল উপজেলাগুলোতে জনবল সংকট আছে। তবে সবচেয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা কার্যালয়ে বেশি সমস্যা। এ বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। আশা করি অচিরেই ঠিক হয়ে যাবে, কাউকে ভোগান্তি পেতে হবে না।


More News Of This Category
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!