Logo
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও মোটরসাইকেল ছিনতাই জ্বালানি তেল মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান, ১লাখ টাকা জরিমানা মৌলভীবাজারে ডিবির অভিযানে আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার কমলগঞ্জে ১০০ হাতের দুর্গা দেবীর পূজায় লক্ষাধিক ভক্তের ঢলে মুখরিত মন্দির প্রাঙ্গণ কমলগঞ্জে ক্যামেলিয়া হাসপাতালে ভূল চিকিৎসায় ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা ।। আটক-১ কমলগঞ্জে মণিপুরি ললিতকলা একাডেমিতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ভানুগাছ রেলপথে দুর্ঘটনা: ট্রেন থেকে পড়ে প্রাণ গেল জুবায়েরের কমলগঞ্জে চকলেটের প্রলোভনে ধর্ষিত হল ৪ বছরের শিশু আজ থেকে কমলগঞ্জে ১০০ হাতের দুর্গা পূজা শুরু

ধলাই নদীর ভাঙ্গন রোধে ব্লক দ্বারা বাঁধ নির্মান চান রামপাশা গ্রামবাসী

Reporter Name / ১৯১ Time View
Update : সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।

কমলগঞ্জ পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের রামপাশা গ্রামের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত ধলাই নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে ঝুঁকির মুখে পড়েছেন নদীর তীরের নিকটবর্তী বাড়িগুলোর বাসিন্দারা। বর্ষা মৌসুমে অব্যাহত ভাঙ্গনের মুখে ইতিমধ্যে ভিটেবাড়ী হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন অনেক পরিবার। বর্তমানেও ঝুঁকির মুখে আছেন আরও বেশ কয়েকটি পরিবার ।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় ব্লক স্থাপন করার কিন্তু তাদের সে দাবী  আজও পূরণ হয়নি । বছর বছর নদী থেকে ২০-৩০ ফুট সরিয়ে নতুন বালির বাঁধ তৈরীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদেরে দায়সারা গোছের দ্বায়িত্ব সারছেন । যার ফলে এই বাধ রক্ষা করা সম্ভব না হওয়ায় আবার তা ভেঙ্গে বসত বাড়ীর সাথে লেগে যায়, ফলে বসত বাড়ী ও সহায় সম্পদ হারাতে হয় অনেক গ্রামবাসীর। বর্তমানে নিখিল চন্দ্র মালাকারের বাড়ী ভায়া রফিক বখতের বাড়ী পর্যন্ত অংশটুকু বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, রামপাশা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী ধলাই নদীর ভাঙনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে সাধারণ মানুষের। এটি রোধে স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে মানুষের বাড়ি-ঘর, ভিটে-মাটি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

বিগত দশকে এ নদী ভাঙ্গনে এ গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আব্দুর রব, আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী, আব্দুর রহিম মিয়া, প্রানেশ পাল, বিক্রম পাল, হারিছ মিয়া, এম,এ, ওয়াহিদ রুলু, মোঃ তুফা মিয়া, সুনীল মালাকার, নিখিল চন্দ্র মালাকার, যোগীন্দ্র মালাকার, মনিন্দ্র মালাকার, জয়ধন মালাকার, নারদ দেবনাথ, নিধু দেবনাথ, সরোজিনী রানী দেবী, জমির উদ্দিন, করিম মিয়া, হক আলী, রফিক বক্ত, খুশি শব্দকর, অনিল শব্দকর, রাকেশ শব্দকর, দীনেশ শব্দকর, হাছন মিয়া, মটর শব্দকর, গিরীশ শব্দকর, উমেশ মালাকার, মুজিদ মিয়া প্রমুখ বসত বাড়ী ও ভূ-সম্পত্তি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

বর্তমানে নদী পার দিয়ে পৌরসভা কর্তৃক পানির পাইপ লাইন স্থাপন করা হয়েছে। নদীরপার ভাঙ্গলে পানির পাইপ লাইনও ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

ধলাই নদী পারের বাসিন্দা নিখিল মালাকার বলেন, এ পর্যন্ত ৭-৮ বার নদীর পাশ থেকে সরিয়ে ঘর নির্মান করে বসবাস করছি। বর্তমানে আর সরানোর জায়গা নেই। আমার বসতবাড়ী রক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানাই। মনির মিয়া বলেন, একদম নদীর পার ঘেঁষে আমার বসত ঘর। ভেঙ্গে নিলে আর যাওয়ার জায়গা নেই।

সুশীল দেবনাথ বলেন, ভিটা বাড়ী অনেক আগেই হারিয়েছি। বর্তমানে যেখানে আছি তাও অন্যের জায়গা, এটা ভেঙ্গে নিলে আর যাওয়ার জায়গা নেই।

মিন্টু মালাকার বলেন, আমি শৈশব থেকে দেখছি নদী ভাঙ্গছে আর আমার পরিবারও বসতবাড়ী সরিয়ে বসবাস করার চেষ্টা করছে। এখন আর সরানোর জায়গা নেই।

রফিক বক্ত বলেন, আমারও অনেক জমি জমা নদী ভাঙ্গনে হারিয়েছি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড, মৌলভীবাজার এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জাবেদ ইকবাল বলেন, ধলাই নদীর ১৪ কি:মি: এলাকায় ব্লক নির্ম্মাণের জন্য একটি প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রামপাশা এলাকাও অন্তর্ভূক্ত আছে। প্রস্তাবটি অনুমোদন হলে টেন্ডার আহবান করে কাজ শুরু হবে।


More News Of This Category
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!