Logo
সংবাদ শিরোনাম :
শমশেরনগর হাসপাতালে দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আল্পনার সাত রঙে সেজেছে বিটিআরআই সড়ক কমলগঞ্জে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিনে যুবদলের দোয়া মাহফিল সিলেটের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে কমলগঞ্জে বেলা’র প্রচারাভিযান ‘সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত কমলগঞ্জ থানা পরিদর্শন করেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মাধবপুর চা বাগান থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সাংবাদিক তুহিন হত্যা‘র প্রতিবাদে কমলগঞ্জে মানব বন্ধন কমলগঞ্জে গলাকেটে ছাত্রদল নেতাকে হত্যা তীরের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা কমলগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবসে আলোচনা সভা কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত । কমলগঞ্জ উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ গঠন দারিদ্রতার বেড়াজালে বন্দী অনন্যার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন কমলগঞ্জে যুবতীর আত্মহত্যা সীমাহীন ভোগান্তিতে টমেটো গ্রাম বনগাঁও এর কৃষকরা চিরনিদ্রায় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) সাজ্জাদুর রহমান চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ বাড়িতে গিয়ে জন্ম সনদ ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান

দারিদ্রতার বেড়াজালে বন্দী অনন্যার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন

রিপোটার : / ১২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।

কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের অসহায় অসুস্থ্য অরুন কর্মকার ও কাজলী রানী সেনের মেয়ে অদম্য মেধাবী অনন্যা কর্মকার। সে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে এসএসসিতে শমশেরনগর হাজী মো: উস্তওয়ার বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। তারা এক বোনও এক ভাইয়ের মাঝে অনন্যা বড়। মেধাবী এ ছাত্রীর ইচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকেও ভালো ফলাফল করে পরে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে একজন চিকিৎসক হয়ে অসহায় রোগীদের সেবা করতে। তবে তার বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে দারিদ্রতা।

অনন্যার বাবা অরুন কর্মকর্তার পৈত্রিকভাবে কাজ শিখে জুয়েলারী ব্যবসা করতেন। তিনি বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে নানান রোগে আাক্রান্ত হওয়ায় ও করোনা সংক্রমণকালে তার ব্যবসায় লোকসানে পড়ে এখন একেবারে বেকার হিসেবে ঘরে বসে আছেন। যখন তিনি ব্যবসা করেছিলেন তখন মেয়ে ও ছেলেকে স্থানীয় আইডিয়াল কিন্ডার গার্টেন স্কুলে পড়িয়েছেন। অভাব অনটন শুরু হলে মেয়েকে পাশের হাজী মো: উস্তওয়ার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করেন। আত্মীয় স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের ধার দেনায় ও সহায়তায় এ বছর মেয়ে অনন্যার এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করিয়েছিলেন। মেয়ে পড়াশোনায় ভালো বলে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও নানাভাবে তাকে সহায়তা করেন। ফলে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এ বিদ্যালয় থেকে মাত্র ২জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মাঝে অনন্যা অন্যতম। এখন মেয়ের ইচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে একটি ভালো কলেজে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল করে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবে। তবে এখন মেয়ের ইচ্ছে পূরণ করতে হলে তাকে শেষ সম্ভল বসত ভিটে বিক্রি করতে হবে।

মেধাবী ছাত্রী অনন্যা কর্মকার পারিবারিক দারিদ্রতার কথা উল্লেখ করে বলে, কোন না কোনভাবে সহায়তা পেলে সে আগামী ২ বছর মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করে উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফলাফল করতে পারবে। এমনকি সরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় পাশ করতে পারবে।

শমশেরনগর হাজী মো. উস্তওয়ার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরে আলম সিদ্দিক বলেন, আসলেই অনন্যা কর্মকার একজন অদম্য মেধাবী। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে সহায়তা করা উচিত। তাহলে ভবিষ্যতে সে একজন চিকিৎসক হতে পারবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!