Logo
সংবাদ শিরোনাম :
শমশেরনগর হাসপাতালে দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আল্পনার সাত রঙে সেজেছে বিটিআরআই সড়ক কমলগঞ্জে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিনে যুবদলের দোয়া মাহফিল সিলেটের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে কমলগঞ্জে বেলা’র প্রচারাভিযান ‘সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত কমলগঞ্জ থানা পরিদর্শন করেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মাধবপুর চা বাগান থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সাংবাদিক তুহিন হত্যা‘র প্রতিবাদে কমলগঞ্জে মানব বন্ধন কমলগঞ্জে গলাকেটে ছাত্রদল নেতাকে হত্যা তীরের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা কমলগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবসে আলোচনা সভা কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত । কমলগঞ্জ উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ গঠন দারিদ্রতার বেড়াজালে বন্দী অনন্যার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন কমলগঞ্জে যুবতীর আত্মহত্যা সীমাহীন ভোগান্তিতে টমেটো গ্রাম বনগাঁও এর কৃষকরা চিরনিদ্রায় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) সাজ্জাদুর রহমান চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ বাড়িতে গিয়ে জন্ম সনদ ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান

মৌলভীবাজারে আখ চাষ বিলুপ্তির পথে

রিপোটার : / ৪৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৫

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।

আধুনিক চাষাবাদের বিস্তারে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ জনপদের একসময়ের জনপ্রিয় কৃষি আখ চাষ। ১০-১৫ বছর আগেও আখ চাষের বেশ জনপ্রিয়তা ছিল। শীতের সকালে গ্রামে গ্রামে ঘুরে আখের রস বিক্রি করতেন রস ফেরিওয়ালারা। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও আখের রস খাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠতেন। এসব যেন এখন শুধুই স্মৃতি। কালের বিবর্তনে তা যেন এখন হারিয়ে যেতে বসেছে।

একসময় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় প্রচুর আখ চাষ হতো। নদীর চড়, হাওড় ও সমতল ভূমিতে প্রচুর আখ চাষ করতেন এখানকার কৃষকরা। গ্রামে গ্রামে গরু-মহিষ দিয়ে চড়কির মাধ্যমে আখের রস সংগ্রহ করা হতো। আধুনিক চাষাবাদের বিস্তারে কৃষকরা সহজলব্য ফসল উৎপাদনে মনোনিবেশ করেছেন। এতে আখ চাষের পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে।

শুক্রবার ১০ জানুয়ারি সকালে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে দেখা মিলে মেশিন দিয়ে আখের রস সংগ্রহের দৃশ্য। গ্রামীণ জনপদের একসময়ের জনপ্রিয় কৃষি আখ চাষ এখনও ধরে রেখেছেন কৃষক মনসুর আলী। তিনি ট্রাটকারের মাধ্যমে মেশিন দিয়ে আখ থেকে রস সংগ্রহ করে তা আগুনে জ্বাল দিয়ে লালী ও গুড় তৈরি করে বিক্রি করেন।

উপজেলার ভানুগাছ বাজার থেকে রস, লালী, গুড় নিতে আসা আহমেদুজ্জামান আলম ও জাহেদ আহমদ জানান, এই রস লালী, গুড় এগুলো এখন আর গ্রামে নিয়ে কেউ যায় না। এগুলো এখন বিলুপ্তের পথে। আমরা সাধারণত বাজারগুলো থেকে গুড় কিনে খাই। আসলে সেটা কতটুকু স্বাস্থের জন্য ভালো তা জানি না।

তারা আরো বলেন, আমরা ফেইসবুকে দেখতে পাই, এ এলাকায় এই ধরনের চাষ ও বিক্রি হচ্ছে। তাই ১৩ কিলোমিটার পাহারী পথ পাড়ি দিয়ে এসে রস, লালী ও গুড় নিতে আসলাম। তারা আমাদের কাছ থেকে রসের দাম রাখল কেজিপ্রতি ৬০ টাকা, লালী কেজিপ্রতি ১৫০-১৮০ টাকা ও গুড় ১৮০ টাকা। আসলে দাম কেমন তা দেখে কিনতে আসা হয়নি আমাদের। মূলত এগুলো একদম ফ্রেশ তাই পরিবারের জন্য নিয়ে যাচ্ছি। এখন প্রচুর শীত। তাই বাসা থেকে পরিবারের সদস্যরা বলেছে বিভিন্ন ধরনের পিঠা বানিয়ে খাবে। তাই নিতে হচ্ছে।

আলাপকালে আখ চাষী কৃষক মনসুর আলী বলেন, ‘গত ৫-৬ বছর ধরে আখ চাষ করে আসছি। সাড়ে দুই কিয়ার (৬০) শতক জায়গায় আমি নিজে এই আখ ক্ষেতের চাষ করি। ৮মাসে এই আখ মারাই করে বিক্রির উপযোগি হয়। আমার খরচ হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। খরচের টাকার পরেও ১লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ আয় হবে।’

তিনি আরো জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষজন আসছেন আমার এই কৃষি ক্ষেতে আখ মাড়াই করে রস, লালী ও গুড় তৈরি করা দেখতে ও নিয়ে যাইতে। আমি রস ৬০ টাকা, লালী ১৫০-১৮০টাকা গুড় ১৮০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!