Logo
সংবাদ শিরোনাম :
দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মৌলভীবাজার-৪ আসনে জয় মুজিবুর রহমানের ঝুঁকিপূর্ণ ২২৩ কেন্দ্রে বডি-অন ক্যামেরা, মৌলভীবাজারে ভোটের মাঠে থাকবেন ১,৬৪১ পুলিশ কমলগঞ্জের চা বাগানে যুবকের হাত-পা বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার কমলগঞ্জে বিশেষ নিরাপত্তায় ৭৬টি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা কমলগঞ্জে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা মৌলভীবাজার-৪ আসনে এসসিপি’র প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা ও হামলার অভিযোগ রিকশা প্রতীকের প্রার্থীর কমলগঞ্জের কৃতি সন্তান সৈয়দা আমিনা ফাহমিনের অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি কৃষকের মাঠে ধানের শীষের প্রচারণা, নেতৃত্বে চেয়ারম্যান আবদাল ময়লার ভাগাড়ে দাঁড়িয়ে ইশতেহার: ‘দুর্ভোগ শেষের’ প্রতিশ্রুতি এনসিপি প্রার্থীর লাউয়াছড়া বনে ট্রেন বিকল: ছয় ঘণ্টা পর স্বাভাবিক রেল চলাচল শ্রীমঙ্গল সেন্ট মার্থাস কিন্ডার গার্টেনে বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ উৎসব কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নে রাস্তাঘাট–সেচ–স্বাস্থ্যসেবার সংকট, সমাধানের প্রতিশ্রুতি-মুজিবুর রহমান চৌধুরীর চা শ্রমিক–কৃষকের উন্নয়নে বিএনপির প্রতিশ্রুতি: শ্রীমঙ্গলে হুমায়ুন কবির সামাজিক বনায়নের জায়গায় পান বাগান, রাজকান্দিতে তীব্র ক্ষোভ শীতার্তদের পাশে আহমদনগর সমাজ কল্যাণ সংস্থা শবে বরাতে বালিগাঁওয়ে গরম শাহ (রহ.) মাজারে কবর জিয়ারতে হাজারো মানুষের ঢল কমলগঞ্জে কোয়াব কাপের ফাইনাল খেলা সম্পন্ন ; চ্যাম্পিয়ন রাহাত ফাইটার্স শ্রীমঙ্গলে সেন্ট মার্থাস উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্ণাঢ্য বার্ষিক ক্রীড়া উৎসব পর্যটন স্পট শমশেরনগর গল্ফ মাঠে খনন: প্রতিবাদে উত্তাল এলাকা

গত ৫ বছরে মৌলভীবাজারে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণের ৬৪ কোটি টাকাই গচ্ছা

রিপোটার : / ১২৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। নদীভাঙন রোধে অস্থায়ী কাজে মৌলভীবাজারের চারটি নদীতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ৫ বছরে ৬৪ কোটি টাকা জলে ঢেলেছে। ৬৪ কোটি টাকা বন্যা প্রতিরোধে জেলাবাসীর কোনো কাজেই আসছে না। বরং বিভিন্ন জায়গায় ইমার্জেন্সি বরাদ্দের নামে লুটপাট করা হয়েছে লাখ লাখ টাকা। এমন অভিযোগ ছিল সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

এদিকে জেলাবাসীকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করতে জেলার প্রধান মনু নদীতে ২০২১ সালে ৯৯৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প নেওয়া হলেও এ প্রকল্পও আলোর মুখ দেখেনি। ২০২৩ সালের জুনে এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ৪৭ শতাংশ। কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বিভিন্ন মহলে। ইতিপূর্বে পত্রপত্রিকায় এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে দুদক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করেন।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, জেলার চারটি নদীতে বিগত ৫ বছরে বিভিন্ন জায়গায় ইমার্জেন্সি বরাদ্দ দেওয়া হয় ১৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে মনু নদীতে ১১ কোটি ৮৮ লাখ ৩২ হাজার, ধলাই নদীতে ৬ কোটি ৭ লাখ ৭৮ হাজার ও জুড়ি নদীতে ৫৯ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।

এদিকে ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরীন ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় প্রকল্পের (১ম পর্যায়) (২য় সংশোধিত) আওতায় মনু নদীতে ১৫ কোটি ১৬ লাখ ৬৬ হাজার, ধলাই নদীতে ৩ কোটি ৯ লাখ ৩২ হাজার, ফানাই নদীতে ১১ কোটি ৯৫ লাখ ৩৪ হাজার ও জুড়ী নদীতে ৩ কোটি ৭৬ হাজার টাকা এবং ওই নদীর হাওড় এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন প্রকল্পে ১২ কোটি ৩০ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সমস্ত নদীতে বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নামকাওয়াস্তে কাজ করে বিল তুলে নেয়। এতে লাভবান হয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সরকারের বরাদ্দকৃত এই অর্থ মৌলভীবাজার জেলাবাসীর কোনো কাজে আসেনি। এদিকে মনু নদীতে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প চলমান থাকার পরেও একাধিক জায়গায় ইমার্জেন্সি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। জেলার সচেতন মহল বলছে, ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী মেগা প্রকল্প সমাপ্ত হলে বন্যা থেকে রক্ষা পেত জেলার কয়েক লাখ মানুষ। জেলার নদীগুলোতে সঠিকভাবে কাজ না হওয়া প্রতিবছরই পড়তে হয় বন্যার কবলে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হন জেলাবাসী। একবারের বন্যায় ঘুরে দাঁড়ানোর পূর্বেই ফের দুর্ভোগে পড়তে হয় তাদের।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ও বরাদ্দের বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই। প্রতিবছর বন্যা হয় তাই স্থায়ীভাবে কাজ করারও সুযোগ হয় না। তবে আমরা প্রস্তাব দিয়েছি পরিকল্পিতভাবে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ তৈরির জন্য।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!